চট্টগ্রামে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি, তবে এ শহর এখনো সেভাবে নারীবান্ধব হয়ে উঠতে পারেনি। নিরাপত্তা, যাতায়াত, কর্মসংস্থান, মাতৃত্ব, কিংবা নারীর ক্ষমতায়ন ইস্যুতে তাই এ শহরের নারীদের কাছে নির্বাচন যেন স্বপ্ন আর প্রত্যাশার বুনন।
চট্টগ্রামে এবার নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখ, যা মোট ভোটারের অর্ধেকের কাছাকাছি। তাই পোস্টার, সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাপিয়ে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তাদের ভাবনা ও প্রত্যাশায় গুরুত্ব পাচ্ছে নতুন বাংলাদেশ, নতুন চট্টগ্রামের স্বপ্ন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহীন আরা বেগম তেমন ভাবনারই অংশীদার। নির্বাচনকে ঘিরে তার চাওয়া নতুন বাংলাদেশে নিশ্চিত হোক নারী শিক্ষার প্রসার ও উন্নয়ন।
তিনি বলেন, ‘নারী ক্ষমতায়ন বা নারীদের এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের সার্বিক সাপোর্ট নিশ্চিত করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
ফ্যাশন জগতে দেশিয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিকাশে কয়েক দশক ধরে কাজ করছেন এ শহরের নারী উদ্যোক্তারা। নির্বাচন বা নতুন সরকার নিয়ে চট্টগ্রাম উইম্যান চেম্বারের সাবেক এ ভাইস প্রেসিডেন্টের আছে নানা প্রত্যাশা।
চট্টগ্রাম ডলস হাউজ স্বত্বাধিকারি আইভী হাসান বলেন, ‘সরকার যদি নারীদের ফাইন্যান্সিয়ালি হেল্প করে ও তাদের জন্য মার্কেট তৈরি করে দিতে পারে তাহলে নারী উদ্যোক্তা দাঁড়িয়ে যাবে।’
তবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান বিভিন্ন দলের নারী নেতৃবৃন্দ। একইভাবে গণমাধ্যমকর্মীদেরও রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন প্রত্যাশা।
গণমাধ্যমকর্মী রুনা আনসারী বলেন, ‘ভোট কেন্দ্রে আমরা যারা কাজ করি গণমাধ্যমকর্মীরা সবসময় দেখা যায় আমরা কোনো না কোনোভাবে হামলার শিকার হই। এটি যেন না হয়। আমরা যেন সাদাকে সাদা বলতে পারি সঠিক তথ্য তুলে ধরতে পারি।’
কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আর প্রচারণা নয়, চট্টগ্রামের নারী ভোটারদের প্রত্যাশা নতুন বাংলাদেশে নির্বাচন হোক স্বপ্নের মতো। নিশ্চিত হোক জীবনের নিরাপত্তা। আসুক চট্টগ্রামের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণপরিবহন, ও কর্মসংস্থানে নতুন দিনের বার্তা।
চট্টগ্রামের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণপরিবহন ও কর্মসংস্থানে নতুন দিনের বার্তা চান নারী ভোটাররা





