আজ (বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে জাগলার চরের একটি কিল্লা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি থানায় আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।
সংঘর্ষের ঘটনায় হাতিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। এ মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত মোবারক হোসেন সিহাবের চাচা ও নিখোঁজ সামছু গ্রুপের সামছুর ভাই আবুল বাশার বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
আরও পড়ুন:
এর আগে, গত মঙ্গলবার দিনভর চলা সংঘর্ষ শেষে সন্ধ্যায় কোস্টগার্ডের সহায়তায় পুলিশ সুখচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড চর আমানুল্লাহ গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৪০), জাহাজমারা ইউনিয়নের পাইকবাধা গ্রামের কোপা শামছূ্র ছেলে মো. মোবারক হোসেন (২৩), সুবর্ণচর উপজেলার ২ নম্বর চরবাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ চর মজিদ গ্রামের আবুল কাশেম (৬২), হাতিয়া উপজেলার পশ্চিম লক্ষিদিয়ার মৃত শাহ আলমের ছেলে হক সাব (৬০) ও চানন্দি ইউনিয়নের নলের চর প্রকল্প মান্নান নগরের কামাল উদ্দিনের (৬০) মরদেহ উদ্ধার করে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ দুপুরে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে নিহত সামছুর ভাই আবুল বাশার।’





