অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান, ওএসপি, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি।
সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান সমাপনী বক্তব্যে মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এই মাসটি শুধু বিমান বাহিনীর সদস্যদের নয়, তাদের পরিবার ও বৃহত্তর সমাজকেও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় সম্পৃক্ত করেছে।
তিনি বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা তিনটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে—মানুষ, প্রক্রিয়া এবং প্রযুক্তি। এর মধ্যে ‘মানুষ’ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, সচেতন ও সতর্ক ব্যবহারকারী ছাড়া তা কার্যকর হয় না। প্রতিটি ক্লিক, প্রতিটি সিদ্ধান্ত আমাদের নিরাপত্তা নির্ধারণ করে।’
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে সাইবার সচেতনতা ও প্রতিরোধ গঠনের লক্ষ্যে গৃহীত নানা উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
এই সচেতনতামূলক প্রচারণায় ছিল কর্মকর্তা, বিমানসেনা ও তাদের পরিবারের জন্য বিশেষ ব্রিফিং, শিক্ষামূলক পোস্টার ও বুকলেট বিতরণ এবং ইন্টার্যাকটিভ সেশন।
সংস্থাটি বলছে, দেশের সকল শাহীন স্কুলে ৮ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ১৭০০০-এর বেশি শিক্ষার্থীর কাছে সাইবার সচেতনতার বার্তা পৌঁছানো, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাইবার সচেতন করে গড়ে তোলার পথে একটি বড় পদক্ষেপ।
বিমান বাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী একটি সাইবার প্রতিরক্ষা রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। যা দেশের নিরাপদ, স্মার্ট ও সার্বভৌম সাইবার স্পেস গঠনের জাতীয় কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক এস. এম. শামীম রেজা, যিনি ‘ডিজিটাল যুগে ভুল তথ্য, অপপ্রচার ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্যে ডিজিটাল আচরণে দায়িত্বশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



