মাথা নিচু করে ড্রেসিংরুমের পথে একের পর এক ক্রিকেটার। যেন সিরিজ বাঁচানোর লড়াই নয়, বাড়ি ফেরার তাড়া।
২৯৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে খামখেয়ালি শট আর একের পর এক বাজে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক এক দিনেরই জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এটিই সর্বনিম্ন স্কোর। এশিয়ান প্রতিপক্ষ বিচারে এটি ৭ম সর্বনিম্ন।
আরও পড়ুন:
দিনের শুরু থেকেই অবশ্য ব্যাকফুটে ছিল বাংলাদেশ। আগে বল করতে নেমে আফগানিস্তানের দুই ওপেনারের ৯৯ রানের জুটি হজম করতে হয়েছিল টাইগার বোলারদের। এরপর সেদিকুল্লাহ আতালকে নিয়ে ইব্রাহিম জাদরানের ৭৪ রানের জুটিতে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখতে থাকে বাংলাদেশ। মাঝে অবশ্য ১৫ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচে অনেকটাই ফিরে আসে ফিল সিমন্স শিষ্যরা।
যদিও শেষদিকে মোহাম্মদ নবীর ৩৭ বলে ৬২ রানের ইনিংসে ২৯৩ রানের বড় সংগ্রহ পেয়ে যায় স্বাগতিক আফগানিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে এদিন সেরা বোলার ছিলেন অলরাউন্ডার সাইফ হাসান।
বড় লক্ষ্যের সামনে ওপেনিং জুটিতে এদিন বাংলাদেশ তুলতে পেরেছিল মোটে ৩৫ রান। নাইম শেখ দলে ফিরেও খেলতে পারেননি কার্যকরী ইনিংস। ১৬ বলে ৩ রান করে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপরই শুরু হয় ব্যাটিং বিপর্যয়ের চিরায়ত দৃশ্য। ১৫ রানের ব্যবধানে মিডল অর্ডারের ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ম্যাচটাও কার্যত ছিটকে যায় সেখানেই। সাইফ হাসান ব্যতীত আর কেউই নিজের স্কোর নিতে পারেননি দুই অঙ্কের ঘরে।
শেষ দিকে হাসান মাহমুদের ২৩ বলে ৯ রান পরাজয়কে সাময়িকভাবে দূরেই রেখেছিল। তার আউটের পরই নিশ্চিত হয় আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ। সেই সঙ্গে সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নেও জোর ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



