Recent event

৩০ দিনের নয়, ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চলছে ইউক্রেনে

রাশিয়ার আক্রমণে ইউক্রেনের একটি বিধ্বস্ত অঞ্চল
রাশিয়ার আক্রমণে ইউক্রেনের একটি বিধ্বস্ত অঞ্চল | ছবি: সংগৃহীত
0

৩০ দিনের নয়, ৭২ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চলছে ইউক্রেনে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয় উদযাপনে ইউক্রেনে তিন দিন হামলা বন্ধ থাকছে। কিন্তু কিয়েভের অভিযোগ, মধ্যরাতে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলে বোমা হামলা করেছে মস্কো। এদিকে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, একদিনে ইউক্রেনের ৫ শতাধিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে মস্কো। এমন অবস্থায় মস্কোতে ড্রোন হামলার দিনই চার দিনের রাশিয়া সফরে এসেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

অবশেষে ইউক্রেনে কার্যকর হলো যুদ্ধবিরতি। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ৩০ দিনের নয়, মাত্র তিন দিনের যুদ্ধবিরতি চলছে দেশটিতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের বিরুদ্ধে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ইউক্রেনকে যেন তিন দিন উপহার দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

যদিও ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, যুদ্ধবিরতি শুরুর তিন ঘণ্টার মধ্যে কিয়েভে গাইডেড বোমা দিয়ে হামলা করেছে রাশিয়া। এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন।

অন্যদিকে, রাশিয়ার দাবি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ের ৮০তম বার্ষিকী উদযাপনের আগমুহূর্তে বুধবারও মস্কোতে ড্রোন হামলা করেছে কিয়েভ। এতে রাশিয়ার অন্তত ১৩টি বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ক্রেমলিনের দাবি, পশ্চিমা দুটি হিমার্স রকেট আর ৫ শতাধিক ড্রোন ভূপাততি করেছে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ধ্বংস করা হয়েছে দূরপাল্লার মিসাইল আর গাইডেড বোমা।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয় বার্ষিকী উদযাপনের ঠিক আগমুহূর্তে কিয়েভের ড্রোন হামলায় বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া মস্কোর জন্য বেশ অসম্মানজনক। কারণ চার দিনের সফরে রাশিয়া পৌঁছেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এর ঠিক আগমুহূর্তে বিমানবন্দরে হামলা করে কিয়েভ।

বিজয়বার্ষিকী উদযাপনে রাশিয়া এসেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেনকোসহ ২৯ জন বিশ্ব নেতা। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিসের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার বিষয়ে পুরো ইউরোপে ওঠে সমালোচনার ঝড়।

এমন অবস্থায় মিত্র চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের রাশিয়া সফরে আশার আলো দেখছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ২০২২ সালে ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে মস্কো আর বেইজিংয়ের বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব অনেক বেড়েছে। কারণ দুই দেশই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার আওতায়। ২০২৪ সালে দুই দেশের বাণিজ্য পৌঁছেছে ২৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে। ২০২১ সালের তুলনায় যা ৬৬ শতাংশ বেশি।

সেজু