শেষ সময়ে বিপণিবিতানে উপচেপড়া ভীড়

দেশে এখন
0

ঈদের আগে শেষ সময়ের কেনাকাটা চলছে। নগরীর শপিংমল ও বিপণিবিতানে পোশাক বিক্রেতাদের তাই অবসর নেই। এরই মধ্যে অনেকে রাজধানী ছাড়লেও ক্রেতার পদচারণায় মুখর সব পোশাকের দোকান। বিক্রেতারা বলছেন, এবার ক্রেতারা বাড়তি অর্থ ব্যয়ে সচেতন ছিলেন। অনেকেই কেনাকাটায় কাটছাঁট করায় তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি।

ঈদ বন্ধন বজায় রেখে শুভেচ্ছা বিনিময়ের বৃহৎ উদযাপন। এই উৎসবকে বর্ণিল করে তোলে নতুন পোশাক। বিপনিবিতান, শপিং পাড়ায় তাই একেবারে শেষ সময়ে বেড়েছে ক্রেতা উপস্থিতি।

বরাবরের মতো নারীদের পছন্দ বৈচিত্র্যময় কারুকাজের লেহেঙ্গা, নানা শেডের লংগাউন। পছন্দেরর শীর্ষে রয়েছে সিল্ক, বুটিক, ব্লক, নেটের শাড়ী। হালের ফ্যাশন ট্রেন্ডে দখল আছে গাঢ় রংয়ের কামিজ, আনস্টিচ কাতানের।

ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, 'কটনের মধ্যে একটা নিয়েছি। পাকিস্তানি ড্রেস বলে যেটা, তার মধ্যে একটা নিয়েছি।'

ছেলেদের পোশাক হিসেবে চাহিদার শীর্ষে আছে টি-শার্ট, পোলো, স্টোম আর ন্যারো ফিটিংসের ডেনিম ফেব্রিক্সের জিন্স।

ক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, 'প্যান্ট কিনলাম, গেঞ্জি কিনবো দুইটা। তুলনামূলক আগের চেয়ে দাম একটু বেশি। তবে একেবারে যে বেশি সেরকম না। মোটামুটি বলা যায় যে ঠিক আছে।'

ক্রেতারা বলছেন, সাধ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে পোশাক ক্রয় করা হচ্ছে। আর অনেক বিক্রেতারা দাবি, এই মৌসুমে নানা কারণে বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরন হয়নি তাদের।

বিক্রেতাদের মধ্যে একজন বলেন, 'ব্যবসায়ীদের মেইন টার্গেট থাকে রোজার ঈদ। কিন্তু বিগতবছরগুলোর তুলনায় এ বছর বেচাকেনা খুবই কম।'

শেষ বেলায় অনেকে পোশাক নির্বাচনের পর জুয়েলারি, প্রসাধনী, মেহেদী, সুগন্ধিও কিনছেন।

এসএস