
শবে বরাতের সঠিক আমল ও নিয়ম, যেভাবে কাটাবেন মুক্তির এই মহা রজনী
ইসলামি সংস্কৃতিতে বরকতময় রজনীগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শবে বরাত (Shab-e-Barat)। ফারসি শব্দ ‘শব’ মানে রাত আর ‘বরাত’ মানে মুক্তি; অর্থাৎ শবে বরাত অর্থ মুক্তির রজনী (Night of Salvation)। হাদিসের পরিভাষায় একে ‘নিসফে শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্যরজনী বলা হয়। এই রাতের ইবাদত ও পরবর্তী দিনের রোজা নিয়ে সঠিক ইসলামি দিকনির্দেশনা নিচে তুলে ধরা হলো:

শবে বরাত কি আসলেই ‘ভাগ্যরজনী’? জেনে নিন কোরআন-হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা
শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি আমাদের জনপদে ‘শবে বরাত’ (Shab-e-Barat) হিসেবে পরিচিত। ফার্সি শব্দ ‘শব’ মানে রাত আর ‘বরাত’ মানে ভাগ্য—এই শাব্দিক অর্থের কারণে অনেকেই একে ‘ভাগ্যরজনী’ (Night of Fortune) মনে করেন। তবে ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় এই রাতটির নাম হলো ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ (لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ) বা মধ্য শাবানের রাত।

কবে পবিত্র শবেবরাত? কী করবেন আর কী বর্জন করবেন, মিলবে কতদিন সরকারি ছুটি
বছর ঘুরে আবারও রহমত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান (Ramadan) হাতছানি দিচ্ছে। গত (বুধবার, ২১ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে পবিত্র শাবান মাস (Month of Shaban) গণনা শুরু হয়েছে। সেই হিসেবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবেবরাত (Shab-e-Barat) পালিত হবে।

মহানবী (সা.) কেন শাবান মাসে বেশি রোজা রাখতেন? জেনে নিন এই মাসের বিশেষ ফজিলত ও আমল
শুরু হয়েছে পবিত্র শাবান মাস (Shaban Month)। ইসলামি সংস্কৃতিতে এই মাসটি মূলত রমজানের আগাম বার্তা (Message of Ramadan) নিয়ে আসে। প্রখ্যাত আলেমদের মতে, রজব হলো বীজ বপনের সময়, শাবান হলো পানি সেচের মাধ্যমে চারা বড় করার সময় এবং রমজান হলো ইবাদতের ফসল কাটার মাস।

মধ্যপ্রাচ্যে আজ শাবানের চাঁদের সন্ধান, কবে পবিত্র শবে বরাত?
রমজানের আগাম বার্তা নিয়ে দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র শাবান মাস (Month of Shaban)। আজ (রোববার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের অষ্টম মাসের চাঁদ দেখার (Moon Sighting) ওপর নির্ভর করছে মহিমান্বিত শবে বরাত (Shab-e-Barat) বা 'লাইলাতুল বারাআত'-এর দিনক্ষণ। যদিও আজ সূর্যাস্তের আগে চাঁদ অস্ত যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, তবুও কোটি কোটি মুসলিম উম্মাহর চোখ এখন পশ্চিম আকাশে।

রমজানের প্রস্তুতি: মহানবী (সা.) যে পাঁচ বিষয়ে খেয়াল রাখতেন
প্রতিটি ইবাদতের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি। রসুলুল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (স.) নামাজ ও হজের মতো পবিত্র রমজানের জন্যও বিশেষ প্রস্তুতি নিতেন এবং উম্মতকে রমজানের ইবাদতের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত হতে বলতেন। নবীজির (স.) এর জীবন ও কর্মপন্থা অনুযায়ী রমজানের প্রস্তুতিমূলক কিছু করণীয় সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবো।