
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আধিপত্য; নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে কোন পথে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক?
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা ও বাঙালির দল হিসেবে পরিচিত তৃণমূল কংগ্রেস এবার ধরাশায়ী হলো বিজেপির কাছে। প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে মোদি সরকার। পানি বন্টন, অনুপ্রবেশ, সংখ্যালঘু নির্যাতন, পুশইন, সীমান্ত ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশ বিতর্ক নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি আসামের বিজেপি নেতার ‘পুশইন’ মন্তব্য নিয়ে দুই দেশের উত্তেজনা বেড়েছে। এবার এই দুই রাজ্যেই বিজেপির আধিপত্য। কোন দিকে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক তা নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

বিধানসভা নির্বাচন: ভবানীপুর আসনে জিতবে কে?
‘দিদি আছেন, দিদিই জিতবেন।’ কিন্তু পরিবর্তনের যে হাওয়া উঠেছে? উত্তর আসলো, ‘বলছে তো অনেক কিছুই, কিন্তু হবে কি না বলা মুশকিল। পরিবর্তন হলেও কতটা ভালো হবে তাও বলা যাচ্ছে না।’ দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের মিত্র ইন্সটিটিউশনের ঠিক উল্টোদিকেই চা’এর দোকানে বসে এই কথাগুলো বলছিলেন ভাস্কর দত্ত। আসন্ন নির্বাচনে ভবানীপুর আসনে কি হতে চলেছে তা নিয়েই নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন ৫৭ বছর বয়সী ভাস্কর।

তৃণমূলের প্রদীপ নেভার আগে দপ দপ করছে: মোদি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর এক নির্বাচনি সমাবেশে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূলের মাথা খারাপ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বলেছেন, গতকাল রাত থেকেই তৃণমূল তাদের গুন্ডাদের মাঠে নামার জন্য শক্তি দিচ্ছে, উৎসাহিত করছে। আমি বাংলার মানুষ ও বিজেপির সমস্ত কর্মকর্তাদের বলতে চাই, এ বাংলা বিপ্লবের মাটি, বীরদের মাটি। সব প্রদীপ নেভার আগের কিছুটা দপ করে জ্বলে ওঠে। ঠিক সেভাবেই তৃণমূলের প্রদীপ নিভে যাওয়ার আগে কিছুটা দপ দপ করছে।

শেখ হাসিনা কি অনুপ্রবেশকারী, নাকি শরণার্থী—অমিত শাহকে প্রশ্ন অভিষেকের
পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভার নির্বাচনি প্রচারণায় এসে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জির সরকারকে ক্রমাগত নিশানা করে চলেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং-প্রত্যেকেরই অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এমনকি বিজেপির নির্বাচনি ইশতেহারেও এ বিষয়টিতে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মমতা ব্যানার্জি, সমর্থকদের উচ্ছ্বাস
ভবানীপুর বিধানসভা আসন থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আজ (বুধবার, ৮ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে এসে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

মমতার হেলিকপ্টারের সামনে আচমকা রহস্যময় ড্রোন!
আসন্ন নির্বাচনের আগে কলকাতা রাজ্যজুড়ে নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যস্ত রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। প্রতিদিনই দুই থেকে তিনটি করে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন তিনি। ঠিক সেভাবেই আজও (শনিবার, ৪ এপ্রিল) রাজ্যটির মালদা জেলায় গিয়েছিলেন নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে।

বিজেপি সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী: মমতা ব্যানার্জি
বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে একে অপরের বিরুদ্ধে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে তুমুল আলোচনা সমালোচনা চলছে। এবার এ বিষয়ে বিজেপির দিকে অভিযোগের তীর ছুড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা ব্যানার্জি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন: প্রার্থী তালিকায় তৃণমূলের ২ সাংবাদিক, বিজেপিরও ২
সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে পদার্পণ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের ব্যক্তিদের রাজনীতিতে যোগ দেয়া এবং প্রার্থী হওয়ার প্রবণতা লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে গেছে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ বা ভারত নয় বিশ্বের অনেক দেশেই এটি একটি প্রচলিত ধারায় পরিণত হয়েছে। বর্তমান সময়ে এই প্রবণতা নিয়ে বিতর্কও কিছু কম হয় না।

চতুর্থ বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসার পথে মমতা ব্যানার্জির সরকার
জনমত জরিপের তথ্য
বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত পুরো পশ্চিমবঙ্গ। নির্বাচনে কারা জিতবে তা নিয়েও চলছে আলোচনা। সম্প্রতি এ নিয়ে পরিচালিত এক জরিপের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। যেখানে বলা হচ্ছে চতুর্থবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গে শাসন ক্ষমতায় আসতে চলেছে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)।

অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করাটাই আমাদের দলের এজেন্ডা: অমিত শাহ
সামনেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। আর নির্বাচনের আগে আরও একবার অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার স্পষ্ট বার্তা ‘আমাদের দলের এজেন্ডাই হল একেকজন অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে তাদের দেশের বাইরে বের করে দেওয়া।’