
চীনে টাইফুনের তাণ্ডব; নজিরবিহীন ঝড়-বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কানাডা
তিব্বত সীমান্তে বিধ্বংসী ঢলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই বছরের সপ্তম টাইফুন সাউডেলের আঘাতে লণ্ডভণ্ড চীনের দক্ষিণাঞ্চল। উপকূলীয় ফুজিয়ান ও গুয়াংডং প্রদেশে টানা ৩ দিন ধরে মুষলধারে বৃষ্টি, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে আকস্মিক বন্যা সতর্কতা জারি। প্লাবিত এলাকাগুলোতে ভূমি ও পাহাড়ধসের শঙ্কায় ঘরছাড়া প্রায় লাখো মানুষ। এদিকে, দাবানলের মৌসুম শেষ হতে না হতেই নজিরবিহীন ঝড় আর রেকর্ড বৃষ্টিপাতের কবলে কানাডার টরোন্টো। নগরজুড়ে জলাবদ্ধতার জেরে ব্যাহত যানচলাচল, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ৬৫ হাজার বাসিন্দা।

নেপালে বন্যা বিপর্যয়: জরুরি অবস্থা ঘোষণা, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা দাবি প্রধানমন্ত্রীর
তিব্বত ও নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সীমান্তের ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র উঠে আসলেও হতাহত কিংবা স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বেইজিং। তবে সীমান্তের অপর পাশে নেপালের নুওয়াকোট ও রাসুওয়া জেলায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নেপাল-তিব্বতের বন্যায় নিহত হাজার ছাড়ালো
নেপাল-তিব্বতের বন্যায় নিহত ১ হাজার ছাড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ। আজ (মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর) নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ৯৮৭ জনে পৌঁছেছে এবং ৫৮৩ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজার ৯১৬ জন।

নেপাল-তিব্বতে বন্যায় নিহত ৯০০ ছাড়িয়ে
নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যায় নিহত বেড়ে ৯০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে নিখোঁজও। এতদিন তিন হাজার মানুষ নিখোঁজ বলা হলেও, নতুন করে সংখ্যাটি ৪ হাজার ২৪৭ বলেছে নেপোলের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। আজ (সোমবার, ৩১ আগস্ট) সংস্থাটি জানায়, ২০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মীর তৎপরতায় এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ৪৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদের পানি কমছে; কাটছে দ্বিতীয় দফা বন্যার ঝুঁকি
চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট কৃত্রিম হ্রদটি আকারে ছোট হয়ে আসায় তা ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা কমেছে। গতকাল (শনিবার, ২৯ আগস্ট) চীনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে হিমবাহ ধসে ওই সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চীন-নেপাল সীমান্তে হ্রদ ভাঙার শঙ্কা কমছে; উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সুযোগ
চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের পর সৃষ্ট কৃত্রিম হ্রদটি আকারে ছোট হয়ে আসায় তা ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা কমেছে। শনিবার চীনের কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ওই এলাকায় ভয়াবহ হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ভয়াবহ বিপর্যয়ে নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৬১৬; নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার
নেপালের তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষ। আজ (শনিবার, ২৯ আগস্ট) পুলিশের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।

হিমালয়ে বিপর্যয়ে নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৫৭৯; নিখোঁজ প্রায় ২ হাজার
নেপালে গত বুধবার হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭৯ জনে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৯২৪ জন। উদ্ধারকাজে ইতিমধ্যে ১৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রায় ৪ হাজার মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ)। এদিকে ধসের ফলে সৃষ্ট নতুন একটি হ্রদ এবং কাছাকাছি আরও দুটি হিমবাহে ফাটল ধরা পড়ায় বড় ধরনের নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নেপাল-তিব্বতের হিমালয় অঞ্চলে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা
হ্রদের পানি উপচে পড়ায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে নেপাল-তিব্বতের হিমালয় অঞ্চলে। উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতেও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীদের দল।

নেপাল বন্যায় পূর্বাভাস না দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার চীনের; দায় না চাপিয়ে সহযোগিতার আহ্বান
তিব্বত থেকে নেমে আসা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ধ্বংসযজ্ঞ ও ব্যাপক প্রাণহানির পর বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে ওঠা নানা প্রশ্ন খণ্ডন করেছে নেপালে অবস্থিত চীনা দূতাবাস। পূর্বাভাস দিতে ব্যর্থতার কারণে নেপালে প্রাণহানি ঘটেছে এবং চীন অংশে বাঁধ ধসে পড়েছে এমন দাবিকে সম্পূর্ণরূপে খারিজ করে দিয়েছে বেইজিং।

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, উদ্ধারকাজে মোতায়েন ৫ হাজার সেনাসদস্য
নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে পর্বত থেকে বরফ ও পাথর ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দেশি-বিদেশি মিলিয়ে দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে নেপালের প্লাবিত এলাকা থেকে প্রায় ১০০ জন ভারতীয় পর্যটক এবং ২৫ জন চীনা শ্রমিককে উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

‘সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেছে’; নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ১,৫০০ মানুষ নিখোঁজ
হিমালয়ের পর্বত থেকে নেমে আসা পাথর ও কাদার প্রকাণ্ড স্রোত চোখের পলকে গ্রাস করেছে আস্ত একটি জনপদ। হেলিকপ্টার থেকে নিচে তাকালে দেখা যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট কিংবা রেস্তোরাঁর কোনো চিহ্নই আর বাকি নেই; কাদার স্তূপে সবকিছু একদম সমতল হয়ে গেছে। নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে গত বুধবারের এই আকস্মিক বন্যায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৭৭ ছাড়িয়েছে, আর নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত দেড় হাজার মানুষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।