
আইআরজিসি: ইরানের প্রধান আধা-সামরিক শক্তি—গঠন, ক্ষমতা ও আধিপত্য
ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC - Islamic Revolutionary Guard Corps) দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়। মূলত ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের (Islamic Revolution 1979) পর আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি (Ayatollah Ruhollah Khomeini) দিক নির্দেশনায় এটি গঠন করা হয়। প্রথম লক্ষ্য ছিল নতুন ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত হুমকি থেকে রক্ষা করা এবং বিপ্লবের মূল আদর্শকে নিশ্চিত করা। আইআরজিসি তখন থেকেই ইরানের সাধারণ সেনাবাহিনীর (Iranian Army/Artesh) বাইরে থেকে পরিচালিত হয় এবং সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার (Supreme Leader) অধীনে থাকে।

গরিব মাশহাদি ছেলে থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader of Iran) হিসেবে প্রায় চার দশক পর্যন্ত দেশটির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করেছেন; তার মৃত্যু ঘটেছে বলে গত সপ্তাহে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম (Iran State Media) নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের অনেক মানুষের জন্য তিনি ছিলেন প্রতিরোধ ও ইসলামি বিপ্লবের প্রতীক (Symbol of Islamic Revolution); অন্যদিকে পশ্চিমা ও মিডল-ইস্ট পলিসি মেকারদের (Middle East Policy Makers) কাছে তিনি ছিলেন একটি কঠোর ও কৌশলগত শক্তি।

খামেনির মৃত্যু নিশ্চিত, উত্তরসূরি কে—ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সম্ভাব্য পাঁচ নাম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader of Iran) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির (Ayatollah Ali Khamenei) মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে দেশটির সরকার। আজ (রোববার, ১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও বার্তা সংস্থার ঘোষণায় জানানো হয়, দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তিনি নিহত (Killed in office) হয়েছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

অক্টোবরে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলার দাবি ইসরাইলের
পাল্টাপাল্টি হামলা আতঙ্কে ইরান-ইসরাইল উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, তখন ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলার দাবি করেছে ইসরাইল। সংবাদমাধ্যম এক্সিওস বলছে, গেলো মাসে ইরানে হামলা করে পার্চিন পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করেছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষাবাহিনী। পারচিন মিলিটারি কমপ্লেক্স একটি চরম গোপনীয় পরমাণু অস্ত্রের গবেষণাগার হিসেবে পরিচিত। যদিও এই বিষয়ে মুখ খোলেনি তেহরান।

হিজবুল্লাহর ঘাঁটি গুড়িয়ে দেয়ার দাবি তেল আবিবের
ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার মধ্যেই গাজায় হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও সমানভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে তারা। হিজবুল্লাহর ঘাঁটি গুড়িয়ে দেয়ারও দাবি করেছে তেল আবিব। এরমধ্যেই কাতারের দোহায় শুরু হয়েছে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় আলোচনা।