
তাইওয়ান সংকট: চীনা সেনাবাহিনীর সামরিক প্রস্তুতিতে বিলম্ব, আক্রমণের সম্ভাবনা কম দেখছে ওয়াশিংটন
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০২৭ সালের মধ্যে সামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিলেও আগামী বছরের মধ্যে তাইওয়ানে চীনা সামরিক আক্রমণের সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনিক সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে তাইওয়ানের সমালোচনা; ‘শহিদদের অবমাননার’ অভিযোগ বেইজিংয়ের
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা নিয়ে সমালোচনা করায় তাইওয়ানের বিরুদ্ধে ‘শহিদদের অবমাননার’ অভিযোগ তুলেছে চীন সরকার। বেইজিংয়ের ভাষ্যমতে, যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ ও বেইজিংয়ের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মানে ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

শি-ট্রাম্প বৈঠক ঘিরে প্রশ্ন, নেই বড় অগ্রগতি
নেই কোনো যৌথ বিবৃতি, হয়নি বড় কোনো অগ্রগতি। বরং চীনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। বিশ্লেষকেরা বলছেন, শি জিনপিং-ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক ঘিরে বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় কিংবা সংবাদের শিরোনাম- সবই বৃথা। চীন-যুক্তরাষ্ট্রের যেসব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে কিছু বলা হয়নি, সেগুলোই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বৈঠক: শুল্ক ছাড় ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সংলাপে সম্মত উভয়পক্ষ
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফর শেষে উভয় দেশের ৩০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্যে শুল্ক কমাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে সংলাপে বসতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। গত শুক্রবার সফর সমাপ্তির পর হোয়াইট হাউস ও চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শি-ট্রাম্প বৈঠক ‘লোকদেখানো’; উত্তাপ কমলেও কাটেনি মতপার্থক্য
শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফরে লোকদেখানো বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে বলে কটাক্ষ করেছেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া ট্রাম্প-শি প্রকাশ্যে আন্তরিকতা দেখালেও এখনও যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের। তবে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ট্রাম্পের প্রাপ্তিশূন্য হলেও, তাইওয়ান ও ইরান ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছে চীন।

জাতিসংঘ ভাষণ ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক: কেন থমকে গেছে ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি?
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উত্তপ্ত ভাষণ থেকে শুরু করে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের বৈঠক এক ব্যস্ত কূটনৈতিক সপ্তাহের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নিজের প্রভাব পুনর্প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পেশিশক্তির প্রদর্শন করলেও ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতির আসল সীমাবদ্ধতা ও অর্জনের অভাব এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এমন তথ্য ঊঠে এসেছে রয়টার্সের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে।

‘আমরা দারুণ বন্ধু’, ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রসায়নের জবাবে শি জিনপিংয়ের হিসাবি রাজনীতি
হোয়াইট হাউসে নবনির্মিত হেলিপ্যাড ঘুরে দেখানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন ছবি প্রদর্শন—চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে এক গভীর বন্ধুত্বের আবহ তৈরি করতে কোনো কমতি রাখেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই বাহ্যিক আন্তরিকতার বিপরীতে চীনা প্রেসিডেন্টের প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ হিসাব কষা ও বাস্তবসম্মত।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক আগামীর শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে চলমান শীর্ষ বৈঠক আগামী কয়েক দশকের জন্য বিশ্বজুড়ে শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রসারিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ট্রাম্প-শি জিনপিং বৈঠক: দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত দ্বন্দ্বে ওয়াশিংটন ও বেইজিং কেনো অনড়?
এক দশকের বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত শীর্ষ বৈঠকে বসেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বাণিজ্যযুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রতিযোগিতা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার আবহেই এক বছরের মধ্যে তাদের এ তৃতীয় মুখোমুখি সাক্ষাৎ। সংঘাত এড়িয়ে কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বার্তা দিলেও বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার অন্তর্নিহিত প্রতিযোগিতা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ করছেন বৈশ্বিক কূটনীতিবিদরা। আল জাজিরার বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মার্কিন শঙ্কা ও চীনের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ: এআই দৌড়ে কার প্রভাব কেমন?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির বৈশ্বিক আধিপত্য অর্জনে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি পথ বেছে নিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ দুই অর্থনৈতিক শক্তি—যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। ওয়াশিংটন যেখানে দ্রুততম সময়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ‘সুপার-ইন্টেলিজেন্স’ তৈরির পেছনে ছুটছে, সেখানে বেইজিংয়ের মূল লক্ষ্য প্রযুক্তিটির ওপর রাষ্ট্রীয় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং অর্থনীতি ও সমাজজুড়ে এর ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করা।

ওয়াশিংটনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শি জিনপিংকে অভ্যর্থনা জানালো ট্রাম্প; লক্ষ্য বাণিজ্য শুল্ক স্থগিতের সিদ্ধান্ত
গভীর বৈরিতা সত্ত্বেও বাণিজ্য ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক দশকের বেশি সময় পর প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওয়াশিংটন ডিসি সফর করছেন শি জিনপিং। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

চীন-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত: শি জিনপিং
তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও মহড়ার মধ্য দিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে স্বাগত জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। চীন-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শি জিনপিং। দু’দেশের বাণিজ্য ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ নিয়ে মতবিরোধ সমাধানের আশা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। আর শুল্ক স্থগিতের মেয়াদ আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়াতে সম্মত হয়েছে দু’পক্ষ।