
রেমিট্যান্স: ২০ দিনে এলো ৩২ হাজার কোটি টাকা
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশি বেশি অর্থ পাঠাচ্ছেন। এতে করে মাসজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি মে মাসের প্রথম ২০ দিনে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৬২ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। দেশিয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা ধরে)। সে হিসাবে চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে আসছে এক হাজার ৬০৯ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স।

রেকর্ড গতিতে বাড়ছে প্রবাসী আয়; ১৯ দিনে এসেছে ২৪৮ কোটি টাকার বেশি
রেকর্ড গতিতে বাড়ছে প্রবাসী আয়। চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৪৮ কোটি ডলারের বেশি। রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারার মধ্যে বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ (বুধবার, ২০ মে) চারটি ব্যাংক থেকে আরও ৭০ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে।

এক বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৯ শতাংশের বেশি
রেকর্ড গতিতে বাড়ছে প্রবাসী আয়। চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৪৮ কোটি ডলারের বেশি। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

রেমিট্যান্সে অর্থনীতি চাঙা হলেও বিনিয়োগে এখনও অনিশ্চয়তায় প্রবাসীরা
চলতি অর্থবছরের মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশের আট বিভাগে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে এই অর্থ। তবে প্রবাসী আয়ের বড় অংশ এখনও ভোগব্যয়, ঋণ পরিশোধ ও আবাসন খাতে ব্যয় হচ্ছে; পরিকল্পিত বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা গেলে জাতীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

ঊর্ধ্বমুখী প্রবাসী আয়, সরকারি সহযোগিতায় বিনিয়োগেও আসবে ইতিবাচক ফল?
গেলো পাঁচ অর্থবছরে প্রবাসী আয় ক্রমাগত বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্য সংকটেও এ আয় ঊর্ধ্বমুখী। এমনকি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দেড় মাস বাকি থাকতেই প্রবাসী আয় দেশের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। চলতি অর্থবছরে ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে রেমিট্যান্স। অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোগব্যয়ের কারণে প্রবাসী আয় পরোক্ষভাবে দেশের উৎপাদনে ভূমিকা রাখছে। তবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফল আসতে পারে।

রেকর্ড গতিতে বাড়ছে প্রবাসী আয়
রেকর্ড গতিতে বাড়ছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাড়ে ১০ মাসেই দেশে এসেছে ৩১ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা; বড় অবদান মালয়েশিয়ার
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। পারিবারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে এ অর্থ। যার বড় অংশই আসছে মালয়েশিয়া থেকে। সম্প্রতি এ প্রবাহে দেখা গেছে ইতিবাচক ধারা।

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ (শনিবার, ২৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইউরোপে জনশক্তি প্রেরণে প্রতিকূলতা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ইতালি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটির সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসনসহ সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে। ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেজন্য বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

যুক্তরাজ্যে নানা আয়োজনে পালিত হলো ঈদ
নানা আয়োজনে যুক্তরাজ্যে পালিত হলো ইদ উল ফিতর। পরিবার পরিজন ছাড়া ভিন দেশে ঈদ প্রবাসীদের জন্য ভিন্ন এক বাস্তবতা। দূরত্ব যতই হোক, হৃদয়ে থাকে দেশ আর প্রিয়জনের টান।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে প্রবাসী নারীকর্মীদের অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি
প্রায় ১০ লাখের বেশি নারী কর্মী বর্তমানে বিদেশে কর্মরত। সাত বছরে ফিরেছেন অন্তত ৭০ হাজার। যাদের বেশিরভাগই শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনসহ নিপীড়নের নানা অভিযোগ আছে। গেল আট বছরে প্রায় ৮০০ নারীর মরদেহ দেশে ফিরেছে বাক্সবন্দী হয়ে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের নারীদের মতো প্রবাসের নারীকর্মীদেরও অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান সংশ্লিষ্টদের।

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা: চাপ সামলাতে কোন পথে হাঁটবে সরকার?
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণার মধ্যেই নতুন করে শঙ্কা তৈরি করলো ইরান-ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা ও সরবরাহে ঝুঁকি বাড়ায় চাপে পড়তে পারে দেশের অর্থনীতি। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে স্বল্পমেয়াদি স্থিতিশীলতার পাশাপাশি পরিকল্পনায় রাখতে হবে বাস্তবভিত্তিক ও টেকসই কাঠামোগত পরিবর্তনের সুযোগ।