
মিয়ানমারে নির্বাচন: শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ
মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ (রোববার, ১১ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে ভোটারদের জন্য খুলে দেয়া হয় ভোটকেন্দ্র। ভোটারের চাপ ও পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটগ্রহণ চলবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমারের সংঘাতের গুলি এসে পড়লো বাংলাদেশে
কক্সবাজারে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের ছোড়া গুলিতে কয়েকজন আহত হয়েছে। আজ (রোববার, ১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন, হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক খোকন চন্দ্র রুদ্র।

মিয়ানমার নির্বাচনের আংশিক ফলে এগিয়ে জান্তা-সমর্থিত দল
গৃহযুদ্ধ-সহিংসতার মধ্যে জান্তা সরকার শাসিত মিয়ানমারে হওয়া প্রথম ধাপের সাধারণ নির্বাচনের আংশিক ফল প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে ৩৮ আসন পেয়ে এগিয়ে জান্তা-সমর্থিত দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি। তবে ৫ বছর পর হওয়া এই নির্বাচনে ভোট দেয়ার জন্য জনগণকে হুমকি দেয়ার অভিযোগও ওঠেছে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে। তবুও ২০১৫ ও ২০২০ সালের তুলনায় প্রথম ধাপে ভোটার উপস্থিতি ছিলো খুবই কম। বিতর্কিত এই নির্বাচনকে জান্তা সরকারের শাসন ব্যবস্থার বৈধতা দেয়ার কৌশল হিসেবে দেখেছেন বিশ্লেষকরা।

মিয়ানমারে নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ
মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ। স্থানীয় সময় আজ (রোববার, ২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। প্রথম ধাপে জান্তা-নিয়ন্ত্রিত ইয়াঙ্গুন, মান্দালয় ও রাজধানী নেইপিদোর নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মিয়ানমারে ২৬৫টি অঞ্চলে নির্বাচনের আয়োজন; সমালোচনার মুখে জান্তা সরকার
মিয়ানমারের ৩৩০টি প্রশাসনিক এলাকার মধ্যে তিন ধাপের ২৬৫টি প্রশাসনিক অঞ্চলে নির্বাচনের আয়োজন করে সমালোচনার মুখে জান্তা সরকার। ভোট আয়োজনের মধ্যেও সামরিক অভিযান জোরদারের ঘোষণা দিয়ে আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ মিন অং লাইং প্রশাসন। এ অবস্থায় নির্বাচনকে কমেডি শো বলে মন্তব্য করছেন পালিয়ে রক্ষা পাওয়া মিয়ানমারের তরুণরা।

মিয়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্টসহ ২ পাচারকারীকে আটক
মিয়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্টসহ দুইজন পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। আজ (শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

মিয়ানমারে নির্বাচনের আগে সু চির মুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা!
মিয়ানমার নির্বাচনের আগে সাবেক নেত্রী সু চির মুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা এখনও কাটছে না। আট হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিলেও গণতন্ত্রপন্থি এ নেত্রীর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাচ্ছে না জান্তা সরকার। তবে, আসছে নির্বাচনে সু চির আসন থেকে লড়বেন তারই একসময়ের সহযোদ্ধা কিয়াও কিয়াও হটওয়ে। সুচির অনুপস্থিতিতে কাওহমু অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যে রাজনৈতিক অনীহা সৃষ্টি হয়েছে তা দূর করার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।

নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বৈধ করার কৌশলে জান্তার সরকার!
মিয়ানমারের জান্তা সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে বৈধতা দিতে নির্বাচনকে নতুন কৌশল হিসেবে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর হতে যাওয়া সাধারণ নির্বাচনে রাখাইনসহ অনেক এলাকার জাল ভোট হবে বলেও শঙ্কা করা হচ্ছে। অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না পারায় ভরসা নেই বেশিরভাগ মানুষের।

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও ফিশিং বোটসহ আটক ৮
কক্সবাজারের সমুদ্র থেকে মিয়ানমারে পাচারকালে ৪শ’ ৫০ বস্তা সিমেন্ট ও ফিশিং বোটসহ ৮ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। আজ (শনিবার, ২০ ডিসেম্বর) সকালে এ তথ্য জানায় কোস্টগার্ড।

ছেলের আশঙ্কা, অং সান সু চি হয়ত মারা গেছেন
মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চি মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করছেন তার ছেলে কিম অ্যারিস। কয়েক বছর ধরেই তার মায়ের কোনো খবর পাচ্ছেন না তিনি। রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যারিস জানান, অন্য পক্ষের মাধ্যমে মাঝেমধ্যে তার মায়ের স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিক্ষিপ্ত তথ্য পেয়েছেন। তার অভিযোগ, তার মাকে নির্বাচনের এজেন্ডা হিসেবে ব্যবহার করতে চায় জান্তা বাহিনী।

মিয়ানমারে পাচারকালে নৌবাহিনীর হাতে সিমেন্টবোঝাই ৩টি বোট আটক
বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে অবৈধভাবে পাচারের সময় সিমেন্টবোঝাই তিনটি ইঞ্জিনচালিত বোট আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নৌবাহিনী তাদের আটক করে। আজ (শনিবার, ৬ ডিসেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এখনও সেনা শাসনে চলছে বিশ্বের যেসব দেশ
গণতন্ত্র এবং রাজতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সেনা শাসন প্রতিষ্ঠা চেষ্টার ঘটনা নতুন নয়। গেল বছরই দেশে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন-সুক ইওল। তার সে চেষ্টা ব্যর্থ হলেও, ইউক্রেন থেকে মিয়ানমার এবং মাদাগাস্কার পর্যন্ত এখনও চলে সেনা শাসন। যার ব্যাপক প্রভাব দেখা যায় বেসামরিক জনজীবনে। কোন কোন দেশের শাসনভার এখনও সেনাবাহিনীর হাতে ন্যস্ত?