ইরান নিষেধাজ্ঞা
হরমুজ প্রণালি খুললে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালি খুললে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া এবং আঞ্চলিক ‘প্রক্সি’ গোষ্ঠীগুলোর হামলা বন্ধের বিনিময়ে ইরানের ওপর আরোপিত সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া ও নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া। প্রতিবেদনে এক জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নতুন অর্থনৈতিক চাপ কর্মসূচি অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্টও বাতিল করতে প্রস্তুত। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানে নতুন হামলার বদলে নিষেধাজ্ঞায় জোর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র; মিত্রদের জানালেন রুবিও

ইরানে নতুন হামলার বদলে নিষেধাজ্ঞায় জোর দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র; মিত্রদের জানালেন রুবিও

ইরানের বিরুদ্ধে আপাতত নতুন করে সামরিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে কয়েকটি মিত্র দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সংশ্লিষ্ট এক মার্কিন কর্মকর্তা ও ঘটনাটি সম্পর্কে জানা আরেকটি সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক হামলার বদলে এখন নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধসহ অন্য উপায়ে চাপ বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে ওয়াশিংটন। এক্সিওসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান সংকট: ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞায় কারা পড়লেন, কী বলছে তেহরান

ইরান সংকট: ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞায় কারা পড়লেন, কী বলছে তেহরান

ইরান ও ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখা বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ ছয় মাসে পা দেয়ার মুহূর্তে এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হলো। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নিষেধাজ্ঞা নাকি ক্ষেপণাস্ত্র; ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল নিয়ে দ্বিধায় উপসাগরীয় দেশগুলো

নিষেধাজ্ঞা নাকি ক্ষেপণাস্ত্র; ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নতুন কৌশল নিয়ে দ্বিধায় উপসাগরীয় দেশগুলো

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর ওয়াশিংটন এখন কৌশল বদলাচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বদলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে তেহরানকে শান্তিচুক্তির শর্ত মানতে বাধ্য করতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এই নতুন কৌশল উপসাগরীয় দেশগুলোকে এক জটিল দ্বিধায় ফেলেছে একদিকে মার্কিন নিরাপত্তা সুরক্ষা বলয় অন্যদিকে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার ঝুঁকি।

ইরান সংকট: অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দেয়া দেশগুলোকে কীভাবে প্রতিহত করবে তেহরান

ইরান সংকট: অর্থনৈতিক যুদ্ধে যোগ দেয়া দেশগুলোকে কীভাবে প্রতিহত করবে তেহরান

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে যেসব দেশ শামিল হবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) সেক্রেটারি মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেয়া যেকোনো দেশকে ইরান শত্রু হিসেবে গণ্য করবে। এমন সময়ে এই হুঁশিয়ারি এলো, যখন আগামীকাল (সোমবার, ২৪ আগস্ট) ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার কথা রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতিস্বীকার করবে না ইরান; ‘অনিশ্চয়তা’ কাটানোর তাগিদ পেজেশকিয়ানের

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতিস্বীকার করবে না ইরান; ‘অনিশ্চয়তা’ কাটানোর তাগিদ পেজেশকিয়ানের

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরান কোনো নতিস্বীকার করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একই সঙ্গে ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’—এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও দীর্ঘায়িত অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ওঠার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ শামিল না হতে অন্যান্য দেশকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন চাপে যোগ দেয়া দেশগুলোকে শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে এবং প্রয়োজনে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থেও আঘাত হানা হবে। আজ (শনিবার, ২২ আগস্ট) রানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা বরাত দিয়ে তুর্কিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকি, ইরানের বাণিজ্য থামাতে পারবে কি যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকি, ইরানের বাণিজ্য থামাতে পারবে কি যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে কঠোর’ অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে গেলে যে কোনো দেশের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ হুঁশিয়ারিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিজস্ব সংকট’ থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ থামাতে আলোচনাও অচলাবস্থায় আছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, যুক্তরাষ্ট্র কি বাস্তবে অন্য দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধে বাধ্য করতে পারবে। আল জাজিরার বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এ বিষয়ে আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে।

সামরিক হামলার পর অর্থনৈতিক চাপ, ইরানের বাণিজ্য অংশীদারদের ট্রাম্পের হুমকি

সামরিক হামলার পর অর্থনৈতিক চাপ, ইরানের বাণিজ্য অংশীদারদের ট্রাম্পের হুমকি

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও লেনদেন পরিচালনাকারী যেকোনো দেশের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টানা সামরিক হামলার পর এবার তেহরানের ওপর সর্বাত্মক অর্থনৈতিক চাপ তৈরির নতুন কৌশল নিয়েছে ওয়াশিংটন। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আচরণের পরিবর্তন না হলে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরবে না: ইইউ

আচরণের পরিবর্তন না হলে ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরবে না: ইইউ

ইরানের আচরণের ‘বিশ্বাসযোগ্য ও যাচাইযোগ্য’ পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত তাদের ওপর থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। গতকাল (সোমবার, ১৫ জুন) ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। আনাদোলু সংবাদ সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।