
২০ লাখ মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার, ঝুঁকিতে লাখো মানুষ
ভোলায় মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী ২১টি চরের ৬টিতেই নেই সাইক্লোন শেল্টার। ১৫টিতে আছে নামমাত্র ১ থেকে ২টি করে আশ্রয়কেন্দ্র। জেলার ২০ লাখ মানুষের আশ্রয়ের জন্য ৯০০ সাইক্লোন শেল্টার রয়েছে, যাতে আশ্রয় মিলবে মোট জনসংখ্যার চারভাগের একভাগ। বাকী তিনভাগ থেকে যাচ্ছে অরক্ষিত। তাই বড় ধরনের ক্ষতির আগেই এসব মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রের আওতায় আনার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

রাঙামাটিতে অতি বৃষ্টিতে বন্যা-পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪২৬৫ জন মানুষ
রাঙামাটিতে অতি বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে জেলার ৮ উপজেলা ও দুই পৌর এলাকায় ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যার পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বাঘাইছড়ি, সাজেক ও রাঙামাটি-খাগছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পাহাড় ধসের শঙ্কা তো আছেই। তবে এরই মধ্যে জেলার ৬ উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ১০০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য রাঙামাটি জেলা প্রশাসন জরুরি কন্ট্রোলরুম স্থাপন করেছে।

টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে বান্দরবানে পাহাড় ধসের শঙ্কা
বান্দরবানে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে লক্ষাধিক মানুষ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে দেখা দিয়েছে পাহাড় ধসের আশঙ্কা। ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের সরিয়ে না নিলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণহানির ঘটনা। এদিকে প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলায় দুই শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাহাড়ের ঢালে মাটি কেটে বসবাসের জন্য তৈরি করা হয়েছে বসতঘর।

ইরানে ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা; সতর্ক করলো জাতিসংঘ
ইরানে ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। সংস্থাটি বলেছে, দেশটির শহরগুলোর অবনতিশীল পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দাদের খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিচ্ছে র্যাব
টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় নোয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলার মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েও অনেকে সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। পানিবন্দি অবস্থায় আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেয়া এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে র্যাব-১১ সিপিসি-৩।

ইসরাইলে রাতভর ইরানের হামলা; ১৩ জন নিহতের খবর
ইসরাইলে রাতভর ইরানের উপর্যুপরি হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আজ (রোববার, ১৫ জুন) ইসরাইলের জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলোর বরাতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বিমান হামলার সাইরেনের শব্দে দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ছুটে গেছেন।

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা, ১৬ ইউনিয়নে পানি
রাঙামাটিতে টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টিতে পাহাড় ধস ও সড়ক ধসের আশঙ্কা এখনো কাটেনি। ঝুঁকিতে থাকা ৯৩৮ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রে। গত রোববার (১ জুন) আবারো পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাঙামাটিতে অতিবর্ষণ ও পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা, আতঙ্কে স্থানীয়রা
রাঙামাটিতে ৫ দিনের টানা বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ও সড়কে ধসের ঘটনায় এখনো আতঙ্ক কাটেনি। রোববার (১ জুন) আবারো অতিবর্ষণ ও পাহাড় ধসের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নতুন করে কোথাও পাহাড় ধসের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঝুঁকিতে থাকা ৯৩৮ জন বাসিন্দা উঠেছেন আশ্রয়কেন্দ্রে।

সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপৎসীমার ওপর পানি; বন্দী ৪৫ হাজার মানুষ
টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেটে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ৪ উপজেলার ৪৫ হাজার মানুষ। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পানিবন্দী ১৮ গ্রামের সাড়ে ৪শ' পরিবার। প্রশাসন বলছে, দুর্গতদের উদ্ধারে প্রস্তুত রয়েছে কুইক রেসপন্স টিম ও আশ্রয়কেন্দ্র।

টানা বৃষ্টিপাতে বান্দরবানে বাড়ছে পাহাড় ধসের শঙ্কা
টানা বৃষ্টিপাত ও অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানে বাড়ছে পাহাড় ধসের আশঙ্কা। আজ (রোববার, ১ জুন) ভোর থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দারা।

রাঙামাটির আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় আসতে শুরু করেছে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দারা
রাঙামাটিতে মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪০.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরইমধ্যে বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সন্ধ্যা থেকে মাঝারি থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হলে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আসতে শুরু করেছেন। এরই মধ্যে শহরের লোকনাথ মন্দিরে ১৮টি পরিবারের ৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্র
রাঙামাটিতে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের আশঙ্কায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের জারি করা সতর্কবার্তায় পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নেমেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে থেমে থেমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় পাহাড়ধসের সতর্কতা জানিয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে দেয়া হয়েছে নির্দেশনা। প্রয়োজনীয় ত্রাণ মজুদ ও জেলাশহরসহ জেলার ১০ উপজেলায় প্রস্তত রাখা হয়েছে ২৬৭টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র।