বিশ্বকাপ মাতিয়ে দলবদলের বাজারে ঝড় তুলবেন যারা

আইয়ুব বুয়াদ্দি ও পাউ কুবার্সি
আইয়ুব বুয়াদ্দি ও পাউ কুবার্সি | ছবি: সংগৃহীত
0

পাউ কুবার্সি, আইয়ুব বুয়াদ্দি কিংবা অরলান্ডো গিল— ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল দুনিয়াকে উপহার দিয়েছে এমন কিছু মুখ, যারা এই বিশ্বকাপেই নিজের আগমনী বার্তা জানান দিয়েছেন। অনেকেরই সম্ভাবনা আছে দলবদলের বাজারে ঝড় তোলার।

পাউ কুবার্সি— লিওনেল মেসি পরবর্তী বিধ্বস্ত বার্সেলোনাকে উদ্ধারে লা মাসিয়ার যেসব কিশোরের প্রতি বার্সা ম্যানেজমেন্ট বিশেষভাবে ভরসা করছে, কুবার্সি তাদেরই একজন। হ্যান্সি ফ্লিকের হাই প্রেসিং বার্সা দলে এরইমাঝে নিজের জায়গা পোক্ত করেছেন।

তবে ১৯ বছরের এই তরুণকে ফুটবল দুনিয়া নতুনভাবে আবিষ্কার করেছে এবারের বিশ্বকাপে। আইমরিক লাপোর্তার সঙ্গে জুটি গড়ে বিশ্বকাপে সেরা দল করেছেন। সাত ম্যাচেই ক্লিনশিট রাখতে সাহায্য করেছেন। জিতেছেন সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার।

কুবার্সির মতোই ক্লাব ফুটবল থেকে আলো ছড়িয়ে বিশ্বকাপে বাজিমাত করেছেন আইয়ুব বুয়াদ্দি। ফ্রান্সের বয়সভিত্তিক দলের অধিনায়ক থাকলেও জাতীয় দলের জন্য বেছে নিয়েছেন মরক্কোকে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে সেলেসাওদের একাই আটকে দিয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:

ফ্রেঞ্চ ক্লাব লিল থেকে তাকে দলে নিতে ১০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে রাজি ম্যানচেস্টার সিটি। নিচ থেকে বল দখলে রেখে ম্যাচ বিল্ডআপে দারুণ পারদর্শী বুয়াদ্দি, পরের প্রজন্মের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারও হতে পারেন।

গুস্তাভো পুয়ের্তা। কলম্বিয়ার এই মিডফিল্ডার বিশ্বকাপের মাধ্যমে উঠে এসেছেন আলোচনার শীর্ষে। বিশ্বকাপে ৯২ শতাংশ সফল পাস ছিল তার। যার ৮৮ শতাংশই ছিল প্রতিপক্ষের ফাইনাল থার্ডে। এছাড়া ২৭০ বার প্রতিপক্ষের ওপর প্রেসিং করেছেন। ক্লাব পর্যায়ে রেসিং সান্তানদারকে ১৪ বছর পর ফিরিয়েছেন লা লিগায়। দলবদলের বাজারেও ফেলেছেন সাড়া।

প্রতিপক্ষের শট বিবেচনায় ৬.৮ গোল হজমের কথা ছিল অরলান্ডো গিলের। কিন্তু সেখান থেকে হজম করেছেন চারটি। প্যারাগুয়ের এই গোলরক্ষক রাউন্ড অব সিক্সটিন থেকে বিদায় নিলেও ছিলেন দুর্দান্ত। ৭৮.৬ শতাংশ বল সেইভ করেছেন। যা চলতি বিশ্বকাপেরই চতুর্থ সর্বোচ্চ। ২৬ বছরের অরলান্ডো গিলের ক্যারিয়ারটাও সমৃদ্ধ হতে পারে এমন এক বিশ্বকাপের পর।

এসএস