বিশ্বকাপের ফাইনালে রদ্রি খেলতে নেমেছিলেন সবচেয়ে বেশি পাস এবং ফাইনাল থার্ডে সবচেয়ে বেশি ইন্টারসেপশনের রেকর্ড নিয়ে। ২০২৩ সালে ব্যালন ডি’অর জেতা এই ফুটবলার কেন সময়ের অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার, সেটারই নমুনা দেখালেন লিওনেল মেসির সামনে।
ফ্যাবিয়ান রুইজের সঙ্গে ডাবল পিভট রোলে বন্ধ করেছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডের গতিপথ এবং ফরোয়ার্ড লাইনের যোগাযোগ। পুরো ম্যাচে করেছেন ৪ ট্যাকেল, ছিলো ৬ রিকভারি; ১০১ পাসের সঙ্গে জিতেছেন ৮ ডুয়েল। স্প্যানিশ অধিনায়ক নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে থেকেই।
তবে গোলের খেলায় স্পেনকে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রেখেছেন দলের অন্যতম বড় তারকা লামিনে ইয়ামাল। গোল না পেলেও ডানপ্রান্ত থেকে ভয় ধরিয়েছেন বারবার।
ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৫ ড্রিবল আর গোলে সর্বোচ্চ ৪ শট নিয়ে আর্জেন্টিনাকে কার্যত ছিটকে ফেলেছিলেন তিনিই। দুই সুযোগ তৈরি করেছেন, গোলও পেতে পারতেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দুর্দান্ত সেইভগুলো না থাকলে। ৭ বার রক্ষণে সহায়তাও ছিলো ইয়ামালের দুর্দান্ত প্রোফাইলে।
আরও পড়ুন:
লা রোহাদের বিশ্বকাপ জেতানো গোলে ছিলেন নিকো উইলিয়ামস এবং ফেরান তোরেস। ৬২ মিনিটে বদলি নেমে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে গোল পেয়েছেন তোরেস।
মারিও গোটজের পর মাত্র দ্বিতীয় বদলি ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনালে গোল পেয়েছেন তোরেস। কাকতালীয়ভাবে ১২ বছর আগে গোটজের সেই গোলও ছিলো আর্জেন্টিনার বিপক্ষেই।
ম্যাচে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে সর্বোচ্চ ৭ বল টাচও ছিলো স্পেনের নাম্বার সেভেনের। আর নিকো উইলিয়ামসের এক গোল বাতিল হলেও শেষ পর্যন্ত তা শোধ করেছেন অ্যাসিস্ট দিয়ে।
অতিমানবীয় পারফরম্যান্স দিয়েছেন পাউ কুবারসিও। পুরো ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৮ বার রক্ষণে সহায়তা করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে সবচেয়ে বেশি ১৩৯ বল টাচও ছিলো তারই। এরই সুবাদে জিতেছেন বিশ্বকাপের উদীয়মান ফুটবলারের প্রেস্টিজিয়াস পুরস্কারও।




