সুদূর আটলান্টিকের পাড়ে বিশ্বকাপ। তবে ভৌগলিক ব্যবধান পেরিয়ে বাংলাদেশে বিশ্বকাপের ম্যাচ শুরু হয় মধ্যরাতের ওপাড়ে। রাত জেগে খেলা দেখার অভ্যাসটা দেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে নতুন কিছু নয়। তবে রাতের ঘুম কেড়ে নেয়ার প্রভাব পড়ছে স্বাভাবিক জীবনে। দিনের বেলায় কর্মক্ষেত্রে ক্লান্তি আর ইনসমনিয়ার মতো জটিলতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে গত দেড়মাসে।
অবশ্য এই জটিলতা কেবল বাংলাদেশের জন্যই না। সময়ের ব্যবধানের কারণে রাত জেগে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে হচ্ছে ইউরোপ এবং আফ্রিকার দেশগুলোর ফুটবল ভক্তদের। আর চার বছর পর হাজির হওয়া গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের জন্য স্বাভাবিকভাবেই ঘুমকে বাদ দিতে হচ্ছে। ইংলিশ গণমাধ্যম দ্য সানের এক জরিপ থেকে দেখা গিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপের জন্য মানুষ গড়ে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত কম ঘুমাচ্ছেন। আর তাদের জরিপে অংশ নেয়া ২৮ শতাংশ মানুষ খেলার জন্য ঘুম বিসর্জন দিচ্ছেন স্বাচ্ছন্দ্যে।
আরও পড়ুন:
দ্য সানের এই জরিপের তথ্য বলছে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩৯ শতাংশ মানুষ রাত জাগার কারণে ক্লান্ত শরীরে অফিসে হাজির হচ্ছেন। যা প্রভাব ফেলছে তাদের দৈনন্দিন কাজে। আর সেই ঘাটতি পুষিয়ে নিয়ে ৪৩ শতাংশ মানুষ অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে ঝুঁকে পড়ছেন। বৈশ্বিকভাবেই চা এবং কফির বাজারে যা প্রত্যক্ষ প্রভাব রাখছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
জরিপে আরও দেখা গিয়েছে, বিশ্বকাপের এই সময়ে ম্যাচ অ্যানাইলাইসিস এবং অন্যান্য আলোচনা দেখতে ১৫ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক টিভি দেখার সময়ও বাড়িয়ে নিয়েছেন। বিষয়টা বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একইরকমের প্রভাব রাখতে পারে অনুমান জরিপকারী প্রতিষ্ঠানের।





