টান টান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই দর্শকে পূর্ণ হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি। উত্তেজনা আর হৈ-হুল্লোড়ে ঢাকা পড়ে রাতের নীরবতা। সময় বাড়ার সাথে বাড়ে দর্শকদের হৃৎস্পন্দন।
দর্শকরা জানান, আশা করি আনচেলত্তি যেহেতু এবার আসছে, আশা করি এবার উইন হবে।
শুরুর ৭ মিনিটেই ভিনিসিউসের গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো এলাকা।
জয়ের দিকে অনেকটা এগিয়ে গেলেও পাগল ভক্তদের চোখ তখনও স্ক্রিনের দিকে। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে আবারও জ্বলে ওঠেন ভিনিসিউস জুনিয়র। এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আসে ব্রাজিলের হাতে।
এক ব্রাজিল সমর্থক বলেন, দুর্দান্ত খেলা দুর্দান্ত! আবারও নেইমারকে ছাড়া দুইটা গোল। আরও কত প্রুফ করবো আমরা যে আমরা নেইমারকে ছাড়াও পারি!
শেষার্ধে, ৫৭ মিনিটে কুনিয়ার গোলে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেলে নেইমারদের জয় অনেকটা সহজ হয়ে যায়।
ব্রাজিল সমর্থকরা জানান, এবারও তাদের কামব্যাক করাটা অনেক জোস ছিল। তো এখন আমরা আশা বোধ করবো যে ব্রাজিল জিতবে। বস নেইমার নামে তাহলে আমাদের সামনে কোনো দল থাকতে পারবে না।
অবশেষে, জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেলে স্লোগান ও হৈ হুল্লোড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো চত্বর। তাদের দাবি, এবার ব্রাজিলই হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। এই জয়ে অনেকটা সহজেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল।





