২য় বিভাগ ফুটবলে দাপট দেখিয়ে শীর্ষ স্তরের ফুটবলে আগমন। কিন্তু, সর্বোচ্চ পর্যায়ের বাস্তবতায় চট্টগ্রাম সিটি এফসির যেন বাস্তবতায় মুখ থুবড়ে পড়ার দশা। মাঠে বাজে ফলাফল আর ফিক্সিং অভিযোগের পর এবার ক্যাম্প পরিচালনা নিয়েই সংকটে বন্দরনগরীর দলটি।
সংকটের শুরুটা অবশ্য লিগ মাঠে গড়ানোর আগে থেকেই। প্রাক্টিস গ্রাউন্ড আর আবাসনের ব্যবস্থা করতে না পারায় কোনো প্রস্তুতিই নেয়া হয়নি চট্টগ্রামের দলটির। শেষ পর্যন্ত লিগ শুরুর আগের দিন বসুন্ধরা কিংসের মাঠে দেড়ঘণ্টা অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিল তারা। বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্কের আবাসিক সুবিধাও পেয়েছে দলটি। তবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্তই তাদের সময় দিয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। ৫ম রাউন্ডে কিংস অ্যারেনায় ম্যাচের পরেই এই সুবিধা ত্যাগ করতে হবে তাদের।
এমন অবস্থায় তবে নতুন কোথায় যাবেন চট্টগ্রাম সিটি এফসির খেলোয়াড়রা? উত্তর দিতে গিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তার মাঝেই পড়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘দুইটা জায়গা আমরা (বাছাই) করে রেখেছি, ওখানে হয়তো অ্যাকোমোডেশনের জন্য আমাদের...এখন তো ভাই ১-২ দিন পর পর আমাদের ম্যাচগুলো হচ্ছে, তাই কোনো জায়গায় মুভ করার সুযোগ হচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলে স্পন্সর খুব কম দেখলাম। এখন ফুটবলের জোয়ার চলছে, এখন স্পন্সর আসা দরকার। তবে আমাদের মার্কেটিং করতে হবে প্রথমত। আমরা তা করিনি, সেজন্য হয়তো স্পন্সরও আসেনি সেরকম।’
শুধু আবাসন বা মাঠ সমস্যা না। চট্টগ্রাম সিটি এফসি এখন পর্যন্ত পায়নি কোনো স্পন্সর। দূরের ভেন্যুতে খেলতে গেলে পরিবহন নিয়েও ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। সহসাই সেখানেও সমাধানের পথ খুঁজতে হচ্ছে দলটিকে।
নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ম্যাচের দিন গাড়ি ঠিক করি। বিভিন্ন ক্লাব যেভাবে করে, আমরাও সেভাবেই। আমাদের তো আর নিজস্ব কোনো বাস নেই।’
অবশ্য এতকিছুর ভিড়ে সুখবর, নতুন সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সময় পাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি এফসি। ২৪ অক্টোবরের পর এক মাসের বিরতিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। মাঝের এই সময়েই সব সংকট শেষ করার অপেক্ষায় চট্টগ্রাম সিটি এফসি।





