প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দায়ে দোষী ম্যানচেস্টার সিটি

ম্যানচেস্টার সিটি
ম্যানচেস্টার সিটি | ছবি: সংগৃহীত
0

২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ক্লাবটির দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। আজ (বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। তবে এটা ষড়যন্ত্র বলে দাবি সিটি ক্লাবের সিইওর। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সোরিনো।

আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের ১১৪টিতেই ম্যানচেস্টার সিটির দোষী সাব্যস্তের বিষয় নিয়ে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া। তবে আজই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে বিষয়টি। প্রিমিয়ার লিগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের সব কটি অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে অসহযোগিতা সংক্রান্ত মাত্র একটি অভিযোগ ছাড়া বাকি সব কটি অভিযোগেই ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন। ভুয়া বাণিজ্যিক চুক্তিগুলোকে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন পাউন্ডের এক ছদ্মবেশী অর্থায়ন পরিকল্পনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

তবে এতদিন চুপ করে থাকলেও প্রথমবারের মতো নীরবতা ভেঙে গর্জে উঠলেন ম্যানচেস্টার সিটির সিইও ফেরান সোরিয়ানো। প্রিমিয়ার লিগের এ রায়কে সরাসরি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করেছেন, এ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত লড়বে সিটি।

তবে এটাই সিটির প্রথম পরীক্ষা নয়। ২০২০ সালের উয়েফাও সিটিকে একইভাবে আর্থিক নিয়ম ভাঙার দায়ে নিষিদ্ধ করেছিল। সেবার স্পোর্টস সালিশি আদালত আপিল করে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করেছিল সিটি।

রায় ঘোষণা হলেও এখনও শাস্তির বিষয়ে কোনো কিছু বলেনি ইপিএল কর্তৃপক্ষ। তবে সিটির ইপিএল, এফএ কাপসহ টুর্নামেন্টে জয়ী শিরোপা ছিনিয়ে নেয়া মোটেই কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না বলে মত সাবেক এবং বর্তমান খেলোয়াড়দের।

আগামী ২ অক্টোবর, ২০২৬-এর মধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল করার কথা রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ফলে এ আইনি যুদ্ধ আদালত পাড়ায় গড়াতে পারে আরও কয়েক বছর।

জেআর