গোল করেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। জাল খুঁজে নিলেন উরুগুইয়ান তারকা লুইস সুয়ারেসও । ম্যাচের ৭৪ মিনিট পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়ের স্বপ্নই দেখছিল ইন্টার মায়ামি। কিন্তু ঠিক ৮২ মিনিটে ডিফেন্সের মারাত্মক ভুলে গোল হজম করে জয় হাতছাড়া হলো মায়ামির। সান ডিয়েগোর বিপক্ষে ২-২ গোলের এই ড্র যেন মায়ামির সাম্প্রতিক চেনা গল্পেরই পুনরাবৃত্তি।
শুধু এই ম্যাচ কেন? মেজর লিগ সকালে গেলো চার ম্যাচেই ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বেরই হতে পারছে না মেসির দল। অনেক সমর্থকই মায়ামিকে এখন ওয়াশড ক্লাব বা খেই হারিয়ে ফেলা দল বলে। তবে হঠাৎ করে দলের ছন্দপতন কেন?
লিগের সবশেষ চার ম্যাচের মধ্যে তিন খেলায় দেখা গেছে শেষ ৮০-৯০ মিনিটের মধ্যে গোল হজম করে হাতছাড়া হয়। এর অন্যতম কারণ ভঙ্গুর ডিফেন্স। আক্রমণে মেসি-সুয়ারেসরা প্রতিপক্ষের ওপর যতটা চাপ সৃষ্টি করে, বিপরীতে ডিফেন্ডাররা সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেন না। শেষ আট ম্যাচে তারা একটি ম্যাচেও ক্লিন শিট রাখতে পারেনি।
অন্যদিকে অতিরিক্ত মেসি নির্ভরতা দলের জয়হীন থাকার অন্যতম কারণ। তিনি গোল অ্যাসিস্ট সুযোগ তৈরি করেন। চলতি মৌশুমে এমএলএসে মেসির গোল সংখ্যা ২০টি। অন্যদিকে লুইস সুয়ারেজ বাদে বাকি খেলোয়াড়দের গোল সংখ্যা ১০ এর নিচে।
এছাড়া দলের মাঝমাঠে ডি পল, ক্যাসিমিরো থেকে আক্রমণভাগের দায়িত্বে থাকা লুইস সুয়ারেজের বয়সের ক্লান্তি দলের বড় দুর্বলতা। যে কারণে এমএলএস এর তরুণ ও গতিময় দলগুলোর হাই প্রেসিং ফুটবলের সামনে মায়ামির ফুটবলাররা ম্যাচের শেষ সময় পর্যন্ত নিজেদের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন না। শেষ সময়ে গোল খাওয়া তারই প্রমাণ।
মেসি ম্যাজিক দলকে আনন্দ দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু ফুটবল যে এগারো জনের খেলা, তা আবারও প্রমাণিত হচ্ছে মায়ামির এই টানা ব্যর্থতায়। দলের দুর্বলতা দ্রুত ঠিক করতে না পারলে মৌসুমের শেষে বড় মাশুল গুনতে হতে পারে।





