ম্যাচের শুরু থেকেই টানটান উত্তেজনা। স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে প্যারাগুয়েকে চেপে ধরার চেষ্টায় ফ্রান্স। তবে লাতিন আমেরিকার দল প্যারাগুয়ে মাঠে নেমেছিলো ডিফেন্সিভ ট্যাকটিক্স নিয়ে। ফরাসি ফরোয়ার্ড লাইনের একের পর এক আক্রমণ তাদের ডি-বক্সে এসে মুখ থুবড়ে পড়ে ৬৫ শতাংশ বল পজিশন নিয়েও গোলশূন্য থেকে বিরতিতে যায় ফরাসিরা।
পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, পুরো ম্যাচে ছড়ি ঘুরিয়েছে ফ্রান্স। কিন্তু প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকের অসাধারণ কিছু সেভ ম্যাচটিকে গোলশূন্য রাখে ম্যাচের ৭০ মিনিট পর্যন্ত। অবশেষে ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন এমবাপ্পে। ডিবক্সের ভিতর দুয়েকে ফাউল করলে ভিএআর চেকে পেনাল্টি পায় ফ্রান্স, পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ফরাসি স্ট্রাইকার। এমবাপ্পে তুলে নেন বিশ্বকাপে তার ১৯তম গোল,
ম্যাচটিতে শুধু ফুটবলীয় স্কিল নয়, ছিলো চরম শারীরিক শক্তি ও আগ্রাসী আচরণের প্রদর্শনী। লাতিন ফুটবলের চিরচেনা আগ্রাসী মেজাজে ফ্রান্সের গতিরোধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে প্যারাগুয়ে।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে দেখা দেয় চরম উত্তেজনা। দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের মুখোমুখি হয়ে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ বেগ পেতে হয় রেফারিকে। তবে সময়মতো হস্তক্ষেপে কোনো লাল কার্ড দেয়ার মতো রূপ নেয়নি পরিস্থিতি।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়ে ফরাসি শিবির। অন্যদিকে বীরত্বের সাথে লড়াই করেও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হলো প্যারাগুয়েকে। ১-০ গোলের এ জয় ফ্রান্সকে যেমন পৌছে দিলো স্বস্তিতে, তেমনি কোয়ার্টার ফাইনালের আগে এনে দিলো আক্রমণভাগের ফিনিশিং নিয়ে আরও একবার ভাবার অবসর। শেষ আটে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে আফ্রিকান লায়ন মরক্কো।





