দেশের ফুটবলকে উন্নত করতে ২০২৬-২৭ মৌসুমে নতুন পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বাফুফের গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির পরিকল্পনাকে ঘিরে আসছে বেশ কিছু নতুন শুরুর ইঙ্গিত।
মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ। এরপর আগস্টে রয়েছে এএফসি কোয়ালিফায়ার। একই সঙ্গে বয়সভিত্তিক ফুটবলের ধারাবাহিকতায় মাঠে নামবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ দল এবং অংশ নেবে অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়া কাপ কোয়ালিফায়ারে।
এ টুর্নামেন্টগুলোকে কেন্দ্র করে বাফুফে তৈরি করছে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। বাফুফে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদি জানিয়েছেন, মূল লক্ষ্য একটি শক্তিশালী পাইপলাইন গড়ে তোলা।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বয়সভিত্তিক ফুটবলে আমাদের যে পাইপলাইন এগুলোকে আমরা যতদূর পারি ট্রেইনআপ করা তাদের নিয়মিত ট্রেনিং ও প্র্যাকটিসের ব্যবস্থা করা। এর মাধ্যমে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে আমরা যেন একটা শক্তিশালী জাতীয় দল তৈরি করতে পারি।’
এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ। দেশের ফুটবলের গোঁড়ার স্তরকে শক্তিশালী করতে যুক্ত করা হচ্ছে প্রায় ৩০০ ফুটবল একাডেমি। এসব একাডেমিকে নিয়ে আয়োজন করা হবে একটি একাডেমি কাপ টুর্নামেন্ট।
ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন, ‘তিনশো ছোট বড় অ্যাকাডেমি আছে। তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা একাডেমি কাপ টুর্নামেন্ট করবো। ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই। ছেলেদেরটা আমরা অনূর্ধ্ব-১৪ রাখবো এবং সেটা সারা দেশজুড়েই অনুষ্ঠিত হবে।’
এছাড়াও বাফুফের পরিকল্পনায় রয়েছে চলতি বছর জুড়ে প্রতি মাসে অন্তত একটি করে ইভেন্ট আয়োজন। সব মিলিয়ে বয়সভিত্তিক ফুটবলের এই ধারাবাহিক উদ্যোগই গড়তে পারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী জাতীয় দল গঠনের ভিত্তি।





