৫ ফেব্রুয়ারি একই দিনে পৃথিবীতে এসেছিলেন পৃথিবীর সেরা কিছু ফুটবলার। এমন বিশেষ দিনে ফুটবল বিশ্বে উদযাপনের উপলক্ষ্য এনে দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, নেইমার জুনিয়র কার্লোস তেভেজরা।
সিআরসেভেন। মাদেইরা, ম্যানচেস্টার, মাদ্রিদ, তুরিন হয়ে এখন ছড়ি ঘোরাচ্ছেন সৌদি আরবে। কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যবসায় দিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। ক্যারিয়ারে প্রাইম টাইমে ছিলেন প্রজন্মের সেরা। শূন্য থেকে এখন পর্বতের চূড়ায়। রোনালদো আজ সর্বকালের সেরাদের একজন। আনুষ্ঠানিক হিসেবে ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। ৪০ বছরেও ছুটছেন দুর্বার গতিতে নিঃসীম অসীমের পানে।
ফুটবলারদের ক্যারিয়ারের প্রধান শত্রু ইনজুরি। সেই ইনজুরির সাথে নেইমারের সখ্যতা একটু বেশিই। কিন্তু প্রতিভার প্রশ্নে নেইমার জুনিয়রের নামটা অনেক উপরে। জীবনের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত আর ইনজুরিকে একপাশে রাখলে নেইমার অনন্য, অনবদ্য। বল পায়ে সবুজ গালিচায় ছুটতে থাকা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার এখনো কোটি তরুণের আদর্শ ।
একসময় ওয়েইন রুনি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর কার্লোস তেভেজের ফ্রন্ট থ্রি ইংলিশ ফুটবল থেকে ইউরোপ সবখানেই রাজত্ব করেছিল একটা লম্বা সময়। সেই কার্লোস তেভেজ কিছু ক্ষেত্রে বিতর্কিত, ক্ষ্যাপাটে। তবে তার সময়ে গোল করাদের তালিকায় সেরাদের কাতারেই থাকবেন তিনি।
ডিফেন্ডাররা পাদপ্রদীপের আলো থেকে অনেকটা দূরে থাকবেন, সেটাই হয়ত স্বাভাবিক। কিন্তু আধুনিক যুগে ডিফেন্ডারদের সুইপার রোলের শুরুটা করেছিলেন সিজার মালদিনি। কোচ হিসেবে এসি মিলান আর ইতালির যুব দলের হয়েও পেয়েছেন দারুণ সাফল্য। তার সম্মানেই ৩ নম্বর জার্সিটা তুলে রেখেছিল মিলান। পরে তারই ছেলে কিংবদন্তি পাওলো মালদিনি পড়তেন সেই জার্সি।
রোমানিয়ার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের একজন গিওর্গি হাজি। আশি ও নব্বইয়ের দশকে ছিলেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরাদের একজন। স্টুয়া বুখারেস্ট, রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার হয়ে খেলোয়াড়ি জীবন পার করে এখন আছেন কোচের পদে।
সুইডেনের কিংবদন্তি কোচ সভেন গোরান অ্যারিকসনের জন্মদিনও আজ। নিঃসন্দেহে ৫ ফেব্রুয়ারির দিনটা যে একান্তই ফুটবলের জন্য অনন্য অসাধারণ।