টাইগারদের ‘চার শূন্যের’ ইনিংস থামলো ৬৪ রানে

ম্যাচের একটি মুহূর্ত
ম্যাচের একটি মুহূর্ত | ছবি: ইএসপিএন ক্রিকইনফো
0

ম্যাকাইয়ে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র ৬৪ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ব্যাটারদের মধ্যে চারজন সাজঘরে ফিরেছেন কোনো রান যোগ না করেই।

১৩৯ বছরের ইতিহাস পাল্টে দেয়ার স্বপ্ন নিয়ে হয়তো রাতে ঘুমাতে গিয়েছিলেন ভক্তরা। ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া শেষবার টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিলো ১৮৮৭ সালে। ডারউইন টেস্ট ডমিনেট করে জিতে বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখাচ্ছিলো অজিদের সিরিজ হারানোর। তবে ম্যাকাইয়ের পেস বান্ধব উইকেটে যেন বাস্তবতা টের পেলো টাইগার ব্যাটাররা।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে কিছু বুঝে উঠার আগেই শূন্য হাতে ফিরতে হলো দুই উদ্ধোধনী ব্যাটার তামিম-সাদমানকে। প্রথম টেস্টে নির্বিষ স্টার্ক যেন সব রাগ আর জিদ জমিয়ে রেখেছিলেন ম্যাকাই টেস্টের জন্য। স্কোরবোর্ড দুই অংকের কোটা ছোঁয়ার আগেই বাংলার কাপ্তানকেও ফেরান লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে।

উইকেটে থিতু হতে পারেননি টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুলও। দুই চারে ৯ রানেই ফিরেন বাহাতি এই ব্যাটার। শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে মিডল অর্ডারের ভরসা লিটন দাসকেও। দলের তখন মাত্র ১২ রান।

ব্যক্তিগত ২২ বল করে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৯তম ফাইফার তুলে নেন মিচেল স্টার্ক। টেস্টে সবচেয়ে দ্রুত ফাইফার তুলে নেয়ার রকের্ডটা এই স্টার্কেরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। মাত্র ১৫ বলেই পেয়েছিলেন ৫ উইকেটের দেখা। দ্বিতীয় দ্রুত গতির রেকর্ডটা এবার লেখা হলো বাংলাদেশের বিপক্ষে।

১২ রানের মাথায় মিচেল স্টার্ক ৫ উইকেট তুলে নেবার পর, শঙ্কা হচ্ছিলো টেস্ট ইতিহাসে সর্বনিম্ন ২৬ রান করতে পারবে তো বংলাদেশ? মুশফিক-মিরাজ মিলে দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টা করলেও দলীয় ২১ রানেই ফেরেন মুশফিক।

তখনই বারবার সামনে আসছিলো বাংলাদেশের টেস্ট ব্যাটিংয়ের সর্বনিম্ন ৪৩ রানের হিসাব। তবে শেষ উইকেটে শরিফুল ও তাইজুলের ২৫ রানের জুটিতে লজ্জার রেকর্ড এড়িয়েছে টাইগাররা। অলআউট হয়েছে ৬৪ রানে, যেটা বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বনিম্ন।

এসএইচ