ছয় বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আকবর আলীরা এক সোনালী মহাকাব্য লিখেছিলেন। যে কাব্য বাংলাদেশের জন্য এক অবিস্মরণীয় ঘটনাই বটে। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন!
ঠিক এর পরের আসরে শিরোপা হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের যুবাদের। ষষ্ঠ অবস্থানে থাকার আক্ষেপটা এবার আফ্রিকার তপ্ত রোদেই ঝরিয়ে দিতে চায় বাংলাদেশ।
গেল আসরের গ্লানি ভুলে নতুন এক অধ্যায় রচনার শপথ নিয়ে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার রহস্যময় পিচে লাল-সবুজের মশাল বইবার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে আজিজুল হাকিমের কাঁধে। সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে দলের ওপরই ভরসা রাখছেন এ কাপ্তান।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল অধিনায়ক আজিজুল হাকিম বলেন, ‘ওইখানে কন্ডিশন কেমন হতে পারে, সেখানকার ওয়েদার কেমন সেটি নিয়েও জানা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয় যেহেতু আমরা খেলেছি একটা এক্সপেরিয়েন্স আছে। টিম অনুযায়ীও আমি কনফিডেন্স।’
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার বলেন, ‘যে টিমই থাকুক আমরা যদি আমাদের বেসিক ক্রিকেট খেলি তাহলেই হবে। লাস্ট দেড় বছর থেকে যেভাবে খেলে আসছি সেটি যদি ধরে রাখতে পারি তাহলে আমরা যে কোনো টিমের সঙ্গেই ভালো পারফর্ম করবো।’
এবারের দলে অভিজ্ঞতার প্রলেপ দিতে রয়েছেন গত আসরে খেলা দুই সেনানি গতির ঝড় তোলা পেসার ইকবাল হোসেন এবং স্পিন জাদুকর শেখ পারভেজ জীবন। আসরে ভালো করতে শুধু বোলিং নয় ব্যাটিং -ফিল্ডিং সবজায়গায় অসাধারণ কিছু করতে হবে বলে জানিয়েছেন কোচ নাভিদ নাওয়াজ।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের কোচ বলেন, ‘উই গেট কন্ট্রিবিউশন ফ্রম অল প্লেয়ার। ইট কুড বি গুড ক্যাচ অন দ্য ফিল্ড। বাট উই নিড ব্যাডলি এভরিওয়ান টু কন্ট্রিবিউট।’ বিশ্বকাপে অংশ নিতে রোববার রাতে জিম্বাবুয়ের উদ্দেশ্যে উড়াল দিবে আজিজুল, আবরাররা।





