এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শামিমা সাত্তার মিমু ছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। অ্যাথলেট হিসেবে একসময় খ্যাতি অর্জনের পাশাপাশি পরবর্তীতে প্রশিক্ষক ও সংগঠক হিসেবে দেশের অ্যাথলেটিক্সের উন্নয়নে তার অবদান অনস্বীকার্য।
তিনি বলেন, ‘তার মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন একজন দক্ষ অভিভাবক ও সত্যিকারের ক্রীড়াপ্রেমীকে হারালো। বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে তার কৃতিত্ব ও কর্মময় জীবন নতুন প্রজন্মের অ্যাথলেটদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’
আরও পড়ুন:
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে গতকাল (শুক্রবার, ১৩ মার্চ) রাত ১১টায় ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শামিমা সাত্তার মিমু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।




