প্রতিমন্ত্রীর প্রথম ও প্রধান উদ্যোগ হলো খেলাধুলাকে একটি আধুনিক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। বর্তমানে ক্রিকেটের বাইরে অন্য খেলাগুলোতে স্থায়ী বেতন কাঠামো নেই। তবে নতুন পরিকল্পনায় সকল খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের একটি স্থায়ী বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে। যা ক্রীড়াবিদদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
আরও পড়ুন:
তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রমে ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ১২-১৪ বছরের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তি প্রদান করা হবে, যাতে পড়াশোনার পাশাপাশি তারা খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে পারে।
অবকাঠামোগত উন্নয়নেও আসছে বড় পরিবর্তন। দেশের ৬৪টি জেলায় ইনডোর সুবিধাসম্পন্ন স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন এবং দক্ষ অফিসার নিয়োগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদেও আধুনিক খেলার সুযোগ পৌঁছে দেয়া হবে। এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।





