আজ (শনিবার, ৩১ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড়ে একটি দৈনিক পত্রিকার আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে এইচএসসি পরীক্ষার সদ্য প্রকাশিত ফলের বিষয় তুলে ধরে এসব কথা বলেন সারজিস।
সারজিস আলম বলেন, ‘এবার সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষায় পাশ করেছে মাত্র ৫২ শতাংশ শিক্ষার্থী এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী। এ চিত্র দেখে বোঝা যায় যে, শিক্ষার প্রকৃত অবস্থাটি আজ উন্মোচিত হয়েছে। অতীতে ৯০ শতাংশ পাশ দেখানো হতো, অনেক শিক্ষার্থী এ প্লাস পেতো, কিন্তু তারা ঠিকমতো এক লাইন ইংরেজি লিখতে পারতো না। আমরা এ ধরনের লোক দেখানো ফল ও শিক্ষাব্যবস্থা চাই না।’
তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি, মাদকের ছড়াছড়ি এবং পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যার দায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সরকার সবারই রয়েছে।’
এসময় বর্তমান সরকারের প্রতি পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ও কারিকুলাম ঢেলে সাজানোর আহ্বান জানানোর পাশাপাশি তিনি অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের হতাশ না হয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর তাগিদ দেন।
তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি ও জামায়াত এবং জোটের অন্যদল এককভাবে প্রার্থী দেবে। তাই আমরা ঢাকায় আসিফ মাহমুদ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মেয়র প্রার্থী করেছি। বিগত গত ৮ মাসে বিএনপি প্রতিনিয়ত অজনপ্রিয় হয়েছে। দেশে হত্যা ও ধর্ষণ বেড়েছে, সুশাসন কমেছে। তাই আমরা বিশ্বাস করি আগামীতে জনগণ অপশন হিসেবে এনসিপিকে বেছে নেবে।’
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ফেরার গুজবকে পাত্তা দিচ্ছেন না জানিয়ে সারজিস আলম বলেন, ‘এটার যদি বিন্দুমাত্র সত্যতা থাকে, এ ধরণের চিন্তা শেখ হাসিনার মাথায় আসে, ওই দিনই আওয়ামী লীগের যতটুকু অবশিষ্টাংশ আছে, ওইটুকুরও কবর রচিত হবে। বাংলাদেশের যে প্রান্তেই একজন স্বৈচারের পা পড়বে, সেখানেই ওই মানুষেরা ক্ষোভে হয়তো তাকে ছিঁড়ে ফেলবে, তার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। ৫ আগস্টে গণভবনে থাকলে যে অবস্থা হতো, ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মানচিত্রে কোথাও অস্তিত্ব পাওয়া গেলে একই অবস্থা হবে।’





