Recent event

জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় তারেক রহমান

তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান
তারেক রহমান ও ডা. শফিকুর রহমান | ছবি: এখন টিভি
0

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ (রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি রওনা করেন।

নিজ বাসায় বিএনপি চেয়ারম্যানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তারা কুশলাদি বিনিময় করেন।

এর আগে শনিবার বিএনপি সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় ডা. শফিকুর রহমানের বাসায় এবং রাত ৮টায় নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তারেক রহমান।

জামায়াত আমিরের বাসায় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ অন্য নেতারা।

এসময় জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:

সাক্ষাতের সময় জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানাচ্ছি। তিনি আজ আমার আবাসিক কার্যালয়ে এসেছিলেন। তার এ আগমন আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমি তার এ আগমনকে স্বাগত জানাই এবং প্রত্যাশা রাখি, সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় জোটের সাথে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আলোচনায় তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। আমি এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে আমরা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবো, তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আমরা আপসহীন থাকবো। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকবো। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সাথে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

এএইচ