ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘উন্নয়নের নামে গত ৫৪ বছরে যারা ক্ষমতায় গেছে, তারা সবাই একই কাজ করেছে। দেশকে তছনছ করে দিয়েছে। দৃষ্টিভঙ্গি ও চরিত্রের পরিবর্তন না হলে ভালো কিছু সম্ভব নয়।’
মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘৫ আগস্টের পর জামায়াত অন্যায়ভাবে একটি মামলাও করেনি। অথচ কেউ কেউ হাজার হাজার মামলা দিয়ে মামলা বাণিজ্যে নেমেছে।’
আরও পড়ুন:
ডা. শফিকুর রহমান কুষ্টিয়ায় চালকল ও পণ্যবাহী ট্রাক থেকে অবৈধ খাজনা আদায়ের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, ‘চালের ট্রাকপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা নেয়ার খবর আমরা জানি। বিভিন্ন স্ট্যান্ড দখলের খেলাও চলছে।’
চাঁদাবাজদের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অভাবের কারণে কেউ এসব করলে সরে আসুন। মানুষকে কষ্ট দেবেন না।’ এসময়য় চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট নির্মূল করে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর অঙ্গীকার করেন তিনি।
পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে কুষ্টিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েও বিভিন্ন কথা তুলে ধরেন। তার বক্তব্য শেষে কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। ভোট চান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে। এসময় জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীরা জনসভায় অংশ নেন।





