বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড স্রেফ ধোঁকাবাজি: মো. তাহের

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে ব্রিফ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে ব্রিফ | ছবি: এখন টিভি
0

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, বিএনপি ভোটারদের কাছে গিয়ে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দিচ্ছে। আসলে এ দুটোই অর্থনীতির কিছু নয়, এটা কেবল ধোঁকাবাজি। আজ (রোববার, ১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘‘আপনারা জানেন বিএনপির লোকরা একটা কার্ড দিচ্ছে ভোটারদের কাছে গিয়ে, সেটা হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড। আসলে দুটো অর্থনীতির কিছু নয়, এটা স্রেফ একটা ধোঁকাবাজি। তো এখনই তারা নির্বাচনের আগেই ধোঁকাবাজির আশ্রয় নিচ্ছে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য, নির্বাচনে বিজয়ী হলে কী হবে- সেটা তো খুব স্পষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘আজ আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি, এটা অবৈধ, প্রধান নির্বাচন কমিশনকে বলে আসছি এটা অবৈধ—এটা থামানোর ব্যবস্থা করতে হবে এবং এটা এলাকায় এলাকায় মারামারির সূচনা করবে। এটা আচরণবিধির লঙ্ঘন।’

দেশের উন্নয়নের আশ্বাস দিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পরিবর্তনের সূচি হয়েছে এ নির্বাচনের (ডাকসু নির্বাচন) পরে, পজিটিভ; জাতীয়ভাবে ইনশাআল্লাহ আমরা যদি ম্যান্ডেট পাই, পুরো বাংলাদেশে এরকম একটা পজিটিভ পরিবর্তন হবে। একজন তো বলছেন, “আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান”—আর আমি বলতে চাই, উই হ্যাভ অ্যা লট অব প্ল্যান।’

আরও পড়ুন:

এসময় তিনি প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানান, আজকের বৈঠকে কোনো চাপে নতি স্বীকার না করে নিয়মের মধ্যে থেকে মনোনয়ন ফয়সালার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

তিনি বলেন, ‘কোনো একটি দলের পক্ষ থেকে ইলেকশন কমিশনে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে বাতিল নমিনেশন বৈধ করে দেয়া হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলেও উপদেষ্টাদের মাঝে কেউ কেউ প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’

বৈঠকে নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপিত হবে জামায়াতকে প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান এই নেতা।

মো. তাহের বলেন, ‘সেনা, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারসহ কাউকেই ভোট কক্ষের ভেতরে প্রবেশ অনুমতি না দিতে জামায়াতের সুপারিশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টা সম্মতি দিয়েছেন।’

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও এসময় উল্লেখ করেন জামায়াতের নায়েবে আমির। ‘ইলেকশন কমিশন অন্যায় ও ক্ষমতা-বহির্ভূতভাবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে’—বলেন এই জামায়াত নেতা।

এএইচ