তারেক রহমান বলেন, ‘সব শহিদদের আত্মত্যাগকে জনমনে স্মরণীয় করে রাখতে আগামীয় দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতার কারণে এ মুহূর্তে আমি হয়তো বিস্তারিতভাবে পরিকল্পনা আজকের এ অনুষ্ঠানে তুলে ধরতে পারছি না।’
তিনি বলেন, ‘বলতে যদিও কষ্ট হচ্ছে, আমরা দেখেছি নির্বাচন কমিশনের রিসেন্টলি কিছু বিতর্কিত ভূমিকা, কিছু বিতর্কিত অবস্থান। তারপরও একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে চাই।’
বিএনপির কর্মীরা আন্দোলনে কৌশলের নামে গুপ্ত, কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বলে জানান বিএনপির চেয়ারম্যান।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য গুম, খুন, হয়রানি, মিথ্যা মামলার পরও বিএনপির একজন নেতাকর্মীও কিন্তু রাজপথ ছাড়েনি। একই পরিবারের এক ভাই গুম হয়েছে, আরেক ভাই গিয়ে তার জায়গায় রাজপথে আন্দোলনকে আরও তীব্রতর করার প্রতিজ্ঞা-শপথ নিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। কৌশলের নামে গুপ্ত, কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির কর্মীরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, যে দলের নেতাকর্মীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে এ ধরনের আপসহীন ভূমিকা রখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচার চালিয়ে কেউ এ দলকে দমন করে রাখতে পারবে না।’





