তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগে লাইন দিতো ধানমন্ডিতে, এখন লাইন দিচ্ছে গুলশানে। বিএনপির চেয়ে বড় বিএনপি হয়ে গেছে মিডিয়া, বড় বিএনপি এখন আমলারা।’
এসময় স্থানীয় এনসিপি, জামায়াত ও ১০দলীয় জোটের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এরআগে দেবিদ্বারের জাফরগঞ্জ, বারেরা, বিরাল্লা এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
হাসনাত বলেন, ‘এবারের ভোট হবে আজাদীর পক্ষে, গোলামীর বিপক্ষে। দেশ দু’ভাগে বিভক্ত- একটা গ্রুপ আগের মত বাংলাদেশ যেভাবে দুর্নীতি নিয়ে চলছে সেভাবে চালাইতে চায়। যারা ভারতের সমর্থন নিয়ে দেশ চালাতে চায়। হাসিনার সময়ে যারা বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীদের মারার বৈধতা উৎপাদন করেছে সে সব মিডিয়া মালিকদের এখন কাছে টেনে নিচ্ছে একটি রাজনৈতিক দল।’
তিনি বলেন, ‘এসব বলার কারণে হয়তো আমার ভোট কমবে, আমাকে মারবে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমার ওপর নির্যাতন নিপীড়ন চালাবে। আমি কেয়ার করিনা। এসব বলার জন্য এসব করতে পারে।’
হাসনাত আরও বলেন, ‘আমরা এ দেশটাকে আর ভারতের তাবেদার হতে দিব না। আমাদের কমিটমেন্ট আছে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলের। জুলাই পিলখানা থেকে শুরু করে সকল শহীদ এবং সর্বশেষ শহীদ ওসমান হাদির কাছে আমাদের কমিটমেন্ট আছে, এ দেশটাকে আমরা ভারতের গোলাম হতে দিব না। আমাদের নেতাকর্মীদের রক্তের দায় আমাদের আছে। আমরা এ দায় এড়াতে পারি না। যারা একফোঁটা রক্ত দিয়েছে তারা আমার ভাই। এ রক্তের দায় আমি নিয়ে চলবো। এবার যারা দুর্নীতির পক্ষে, ভারতের পক্ষে এবং সংস্কারের বিপক্ষে আছে তাদের এবার লালকার্ড দেখাবেন।’





