সুলতান টুকু বলেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। এ দল সমুদ্রের মতো বিশাল, এখানে অসংখ্য মানুষ মনোনয়ন চাইতেই পারেন, সবার যোগ্যতা আছে। তবে শেষ পর্যন্ত দল তো একজনকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে।’
তিনি বলেন, ‘দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে হাতে-গোনা কয়েকজন ভিন্ন পথে গেলেও তাদের সংখ্যা খুবই কম। বিএনপি সবসময় ঐক্য ও শৃঙ্খলার ওপর বিশ্বাস করে। আমাকে টাঙ্গাইল দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করব ইনশা আল্লাহ।’
খালেদা জিয়ার ত্যাগের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘১৭ বছর ধরে তাকে নানা কষ্ট দেয়া হলেও তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। তিনি দেশের মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা রেখে বলেছেন, দেশের বাইরে তার কোনো ঠিকানা নেই, এ দেশ, এ দেশের মাটি ও মানুষই তার সবকিছু। তিনি দেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।’
আগামী নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচনে দেশ কার হাতে যাবে, তা নির্ধারিত হবে। আল্লাহর রহমতে জনগণের ভোটে দেশনায়ক তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।’
আরও পড়ুন:
টুকু আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রতিটি পরিবারকে “ফ্যামিলি কার্ড” দেয়া হবে, যা থাকবে মায়েদের নামে। কারণ সংসার পরিচালনায় মায়েরা সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেন। পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে হলে আগে মায়েদের স্বাবলম্বী করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রাজার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী, যুবদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য আবদুল্লাহ হেল কাফি শাহেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সালেহ আহমেদ শাফী ইথেন, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার কবিরুজ্জামান, সদস্যসচিব ইকবাল তালুকদার ও শহর যুবদলের আহ্বায়ক রাশেদ খান সোহাগসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অবদান স্মরণ করা হয় এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয়।





