টানা প্রচার-প্রচারণা শেষে ভোটের জন্য প্রস্তুত দেশ। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আসনে পাঠানো হয় ব্যালট পেপার-বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম। নিরাপত্তায় মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। সড়ক-মহাসড়কসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলছে টহল। নির্বাচনকালীন যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় চলে মহড়া।
সকাল থেকে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে মজুদ করা হয় নির্বাচনি সরঞ্জাম। পরে আসনগুলোতে পাঠানো হয়। নেয়া হয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। ভোটারদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। মাঠে রয়েছেন ১২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
আরও পড়ুন:
একইভাবে ময়মনসিংহে চলে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতিপর্ব। সকাল থেকে নগরীর রিটার্নিং কর্মকর্তারা কার্যালয়ে চলে ব্যালট বাক্সসহ অন্যান্য সরঞ্জামের বিলিবণ্টন। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে চোখে পড়ে সেনাবাহিনীর টহল। জেলার ১১টি আসনে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে সরঞ্জাম পৌঁছে দেয়া হবে কেন্দ্রে কেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২ থেকে ১৬ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
সিলেটেও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয় নির্বাচনি সরঞ্জাম। ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে কাজ করছেন প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসহ সংখ্যালঘু ভোটারের নিরাপত্তাসহ দুর্গম পাহাড়ি ও পানি অধ্যুষিত এলাকায় প্রযুক্তিগত সহায়তায় টহল অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় র্যাব।
একইভাবে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে শুরু হয়েছে হেলিকপ্টারে করে নির্বাচনি সরঞ্জাম পরিবহন। রাঙামাটির ৪টি দুর্গম উপজেলার ২০টি ভোটকেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্স, ভোটগ্রহণ সামগ্রী। সার্বিক বিষয়ে কাজ করছেন নির্বাচন কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
এছাড়া, সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে মহড়াসহ টহল অব্যাহত রেখেছে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।




