আজ (মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় এ দুর্গোৎসব পরিদর্শনে যান তিনি।
এসময় দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘পূজায় হাইকমিশনার হিসেবে আসিনি, এসেছি পরিবারের সদস্য হিসেবে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে।’
এছাড়া নিরাপত্তা ইস্যূতে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং উৎসব মুখর পরিবেশে বাংলাদেশে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এদিকে দিনভর নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার ‘নবমী’। এ দিন দেবী দুর্গার হাতে বধ হয়েছিলো মহিষাসুর; আর রাম বধ করেছিলেন রাবণকে। যা দুর্গাপূজার অন্তিম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ বছর ভক্তদের কষ্ট দূর করতে দেবী দুর্গা এসেছেন ঘোড়ায় চড়ে, আর কাল দশমীর দিন বিদায় নেবেন নৌকায়।
দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিনের মহানবমী তিথি। দেবীর বিদায় ঘণ্টা শুরু হলো সবে। এরপরই কৈলাশে ফিরবেন দেবী। নবমীকে ধরে রাখতে তাইতো এমন আরাধনা ভক্তদের। নবমীর সূচনার প্রথম লগ্নে মন্ত্রোচ্চারণ, চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে অঞ্জলি, ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্যে হোমযজ্ঞের আনুষ্ঠানিকতায় শুরু হয় বিহিতপূজা।
সকালে তর্পণে দুর্গার মহাস্নান শেষে ষোড়শ উপচারে মণ্ডপে মণ্ডপে চলে মহাআরতি। ১০৮টি মাটির প্রদীপ জ্বালানো হয় দেবীর চরণে। বেল পাতা, আম কাঠ, ঘি দিয়ে দেবীদুর্গার কাছে আহুতি দেয় ভক্তরা।
সনাতন ধর্মমতে— এ দিন ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিবসহ সমস্ত দেবতার সম্মিলিত অষ্টভুজ সাজে দেখা গেছে দেবী দুর্গাকে। অসুরকে বধ করে স্বর্গ ও মর্ত্যকে ত্রাসের হাত থেকে রক্ষা করতে সিংহের পিঠে চড়ে তাইতো ভক্তদের মহিমান্বিত করেছেন, পূজিত হয়েছেন মহিষাসুরমর্দিনী রূপে।
নবমীর সন্ধ্যায় দেবীদুর্গার ‘মহাআরতি’ করা হয় আরও একবার। আগামীকাল (বুধবার, ২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।





