সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সরকার সবার সঙ্গে আলোচনা করে অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উপায়ে সংবিধান সংশোধন করতে চায়। এ প্রক্রিয়ায় বিরোধীদলের মতামত ও প্রস্তাবও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদে যেসব বিষয়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেগুলো নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলে বিশেষ কমিটিতে এসে খোলামেলা আলোচনা করা যেতে পারে।’ সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিরোধীদলকে কমিটিতে সদস্য দেয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
এর আগে, সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত বিশেষ কমিটি জানিয়েছিল, জুলাই জাতীয় সনদই তাদের কাজের প্রধান ভিত্তি। সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যে আসা প্রস্তাবের পাশাপাশি ভিন্নমতও বিবেচনায় রাখার কথা জানিয়েছে কমিটি। বিরোধীদলের জন্য কমিটিতে সদস্য থাকার সুযোগ রাখা হলেও তারা এখনো সদস্যের নাম দেয়নি বলে কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অধ্যাপক আলী রিয়াজের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে যারা সংলাপে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের সবার কাছ থেকেও মতামত নেয়া হবে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অংশীজনের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব তৈরির কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো নিয়েও সংসদে খোলামেলা আলোচনা হবে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর রাখার বিএনপির প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আলোচনায় কেউ কেউ এটিকে অগণতান্ত্রিক হিসেবে উল্লেখ করছেন। তবে ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বৈরতন্ত্র ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তার জায়গায় বিএনপি অনড় থাকবে।’
বিশেষ কমিটি এরই মধ্যে রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক, আইনজীবী, সংবিধান বিশেষজ্ঞসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করছে। এসব মতামত পর্যালোচনা করে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।





