প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬-এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী এহসান মাহমুদকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে এ মেয়াদ কার্যকর হবে। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, তাকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক ত্যাগ করতে হবে। জনস্বার্থে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
নতুন দায়িত্ব নিয়ে এহসান মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে মানুষের নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে।’ গণতন্ত্র, সম-অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে শিক্ষা জুলাই থেকে পাওয়া গেছে, তা সামনে রেখে কাজ করতে চান তিনি।
এহসান মাহমুদ আরও বলেন, ‘সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, চর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি জাদুঘরটিকে একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠে রূপ দেয়ার চেষ্টা করবো।’
মাদারীপুরে জন্ম নেয়া এহসান মাহমুদের পৈতৃক নিবাস বরিশালের মুলাদীতে। স্নাতক ডিগ্রিধারী এই সাংবাদিক কর্মজীবনে দৈনিক সমকাল, দেশ রূপান্তর, ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা, মানবজমিন ও নেত্র নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি কথাসাহিত্য ও কবিতাতেও তার কাজ রয়েছে। তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে উপন্যাস ‘একাত্তরের লালমিয়া’ ও ‘কোকিল অসময়ে ডাকিয়াছিল’ এবং কবিতার বই ‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া প্রবন্ধ ও রাজনীতি বিষয়েও তার প্রকাশনা রয়েছে।




