আজ (শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিবি ভবনে ‘দ্য ডেইলি বাংলাদেশ ডাইরি’র ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, ‘সাংবাদিকতা সমাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। দেশের প্রতি, জনগণের প্রতি এবং সমাজের প্রতি সাংবাদিকদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে সাংবাদিকদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা ছিল। সমাজের অনিয়ম ও ত্রুটি তুলে ধরে সমালোচনার মাধ্যমে সমাজকে সঠিক পথে নিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।’
মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরের বেশি সময় পার হলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে দেশ পৌঁছাতে পারেনি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য ছিলো গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু গণতন্ত্র বারবার হোঁচট খেয়েছে।’
আরও পড়ুন
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ থেকে ১৯ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্রের যাত্রা নতুন করে শুরু হয়েছে। এই যাত্রা যাতে ব্যাহত না হয় এবং দেশ আবার গণতন্ত্রের পথ থেকে ছিটকে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘সমস্যাসংকুল একটি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দায়িত্ব নেয়ার সময় দেশের অর্থনীতি ভালো অবস্থায় ছিল না। গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকারও ছিল না। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের সংকটের পাশাপাশি ব্যাংক খাতেও সমস্যা ছিল।’
আবদুস সালাম বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ থেকে ১৯ বছর গ্যাসকূপ খনন করা হয়নি। এখন নতুন করে গ্যাসকূপ খননের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে সৌরবিদ্যুতের দিকে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। অতীতে বিদ্যুৎ খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগের বিষয়টিও সবাই জানেন। এসব সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে সময় লাগবে।’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তিন মাসের কর্মসূচি শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। এ কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বাড়ি, আঙিনা, ছাদ ও পাশের ড্রেন পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেয়া যাবে না।’
ঢাকার পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে আবদুস সালাম বলেন, ‘সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত শহর ঘুরলে অনেক জায়গায় ময়লা দেখা যায় না। কিন্তু মানুষ রাস্তায় বের হওয়ার পর ধীরে ধীরে সেখানে আবর্জনা জমে। নাগরিকেরা সচেতন হয়ে রাস্তায় টিস্যু, বোতলসহ অন্যান্য আবর্জনা না ফেললে পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।’




