স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। জনগণ যদি আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, আমরা সেই দায়িত্ব পালন করবো। আর জনগণ দায়িত্ব না দিলে আমরা কোনোদিন জোর করে সেই দায়িত্ব গ্রহণ করিনি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির সৃষ্টি হয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে। একইসঙ্গে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি সম্মানজনক জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাও দলটির অন্যতম লক্ষ্য ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৃষ্টি। তার প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্য ছিল।’
বিএনপি প্রতিষ্ঠার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরারও আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী বলেন, ‘শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।’
এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন ও শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমবে, দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব হবে এবং নারী ও শিশুসহ সব মানুষের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।’
পলাশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস আগে নির্বাচনে এলাকার মানুষ তাকে ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন।’
তাদের আস্থার কারণেই তিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি জানান, জনগণের ভোটের মর্যাদা রক্ষা এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তার প্রধান দায়িত্ব। গণতন্ত্র ও দেশের উন্নয়নের এই যাত্রায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।





