তিনি বলেন, বারবার পে-স্কেলের কথা বলা হলেও তা কার্যকর করার কোনো উদ্যোগ এখনো দেখা যাচ্ছে না।
ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, শিক্ষা খাতে বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণে বরাদ্দ দেয়া হলেও শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে তেমন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না। অবকাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষকদের দক্ষতা ও জীবনমান উন্নয়নেও বিনিয়োগ জরুরি।
তিনি আরও বলেন, বড় বাজেট দিতে পারলেও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসরকালীন ভাতা দিতে পারছে না রাষ্ট্র। এমনকি প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের শিক্ষকরা অনেক কম বেতন পান বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় বেসরকারি শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত, শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন শিক্ষকবান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানান বক্তারা।
বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী বলেন, দেশের বিপুলসংখ্যক বেসরকারি শিক্ষক শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরা এবং শিক্ষাখাতে ইতিবাচক সংস্কারে ভূমিকা রাখতেই এই জোট গঠন করা হয়েছে।





