উল্লেখ্য, ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নেপাল ও তিব্বতে এখন পর্যন্ত প্রাণহানি বেড়ে ১৬৫ এবং ৮২৬ জন বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ সংস্থা।পানির তোড়ে কয়েক সেকেন্ডে তলিয়ে যাচ্ছে বহুতল ভবন, ভসে যাচ্ছে চলন্ত গাড়ি, ধসে যাচ্ছে বাড়িঘর। তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছে একটি সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে নজিরবিহীন এই দৃশ্য। উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছে ভারত ও চীন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দুজন কর্মী ইতোমধ্যে নেপালে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে প্রায় ১০ হাজার মানুষের তিন মাসের প্রয়োজন মেটানোর মতো চিকিৎসা সরঞ্জাম, তাঁবু ও লজিস্টিক সহায়তা রয়েছে। আগামীকাল থেকে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও ইউনিসেফও কর্মী এবং ত্রাণসামগ্রীবাহী ট্রাক পাঠাবে। সেভ দ্য চিলড্রেন নুওয়াকোট জেলায় কর্মী পাঠানো শুরু করেছে এবং নেপাল রেড ক্রস প্রায় ২০০টি জরুরি আশ্রয় প্যাকেজ পাঠিয়েছে।





