কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান একটি বৈশ্বিক সমস্যা। অবৈধ পথ বেছে নিয়ে বিদেশযাত্রার প্রবণতা দেশের ভাবমূর্তির জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গন্তব্য দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বলে জানান তিনি।
কর্মশালায় মূল সেশন পরিচালনা করেন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। তিনি জানান, নতুন আইনে আন্তর্জাতিক প্রোটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘অভিবাসী চোরাচালান’কে একটি পৃথক অধ্যায় হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও তদন্ত কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। আগে ধর্ষণ বা হত্যার মতো যেসব সহযোগী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারের বাইরে ছিল, তা এখন একই ট্রাইব্যুনালে বিচারের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু নোমান একটি সেশন পরিচালনা করেন। তিনি জানান, মানবপাচারকারী চক্রগুলো জাল নথি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য তৈরির মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণা ও চোরাচালান রোধে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন বিভাগ সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের বিদেশযাত্রা ঠেকানোসহ বিশেষ নজরদারি বাড়িয়েছে।
অনুষ্ঠানে নৈতিক ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন বাংলা সম্পাদক মো. এস কে তানভীর মাহমুদ। তিনি মানবপাচারের শিকার সারভাইভারদের অভিজ্ঞতা, মানবেতর পরিস্থিতি ও সুরক্ষার দিকগুলো সংবেদনশীলতার সঙ্গে গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান। কর্মশালায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসন নিয়ে ভবিষ্যতে তথ্যসমৃদ্ধ ও সারভাইভার-কেন্দ্রিক প্রতিবেদন তৈরির অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



