আজ (শনিবার, ২২ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের অঞ্চলে বিখ্যাত সব ক্রিকেটার আছে। রাজশাহী ভলিবলেও ছিল বাংলাদেশের অপ্রতিদ্বন্দ্বী, হকিতে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়ন ছিল। ৩০টির মধ্যে ২২টি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতো রাজশাহী কলেজ। কিন্তু আমরা কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিলাম। এখন আবার সেই হারানো গৌরব ফিরে পাবে রাজশাহী।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করে চলেছেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেশের যুব সমাজ বিশেষ করে সকল পর্যায়ের তরুণ খেলোয়াড়দের উদ্দীপ্ত করতে প্রতি সপ্তাহে একটা করে অনুষ্ঠান রাখছেন। পরে ভূমিমন্ত্রী কিছুক্ষণ খেলা উপভোগ করেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে অন্য অতিথিদের নিয়ে জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন দলের পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি অ্যাড. শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনের এমপি ডা. আব্দুল বারী, রাজশাহী-৫ আসনের এমপি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. এরশাদ আলী ঈশা এবং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট।
তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার, তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা অন্বেষণ, মাদক ও মোবাইল ডিজিটাল আসক্তি থেকে তরুণদের মাঠমুখী ও রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করতে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
টুর্নামেন্টে রাজশাহীর নয়টি উপজেলা এবং সিটি করপোরেশন মিলিয়ে মোট ১০টি দল অংশগ্রহণ করছে। মোট ২৭০ জন খেলোয়াড় এতে অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী খেলায় রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও বাগমারা উপজেলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।





