অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৮ জন সরাসরি আগুনে পুড়ে এবং অবশিষ্ট ৮ জন কালো ধোঁয়ায় নিশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যান। মৃতব্যক্তিগণ উক্ত কারখানার একাংশে বসবাস করতেন।
এসময় তিনি জানান, মৃতব্যক্তিদের পরিচয় সংক্রান্ত ডকুমেন্ট বিনষ্ট হওয়ায় প্রথমত: আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে তাদের পরিচয় সনাক্ত করা হবে, সেটি সম্ভব না হলে ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজন হতে পারে। পরিচয় সনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষ তাদের অনুকূলে মৃত্যু সনদ ইস্যু করবেন।
আরও পড়ুন
দুর্ঘটনায় তাদের সকলের পাসপোর্ট ও ইকামা পুড়ে গেছে। মৃতব্যক্তিদের পরিচয় সনাক্তকরণে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ দুর্ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে মর্মে ধারণা করা হচ্ছে।
পরবর্তীতে মৃতদেহসমূহ সৌদি আরবে দাফন বা বাংলাদেশে প্রেরণ সংক্রান্ত বিষয়ে মৃতের পরিবারের লিখিত মতামতের ভিত্তিতে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।




