আজ (মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত এক সভায় সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছবি ও কিউআর কোড-সংবলিত কৃষক কার্ডে কৃষকের পরিচয় ছাড়াও কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজার-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।’ কৃষকদের প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করেই এই কার্ড তৈরির নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেয়া হবে।
কৃষি খাতে সরকারের ভর্তুকি, সহজ শর্তের ঋণ, প্রণোদনা ও অন্যান্য সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছে দিতে এই কৃষক কার্ড চালু করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন। পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় দুই কোটি কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।
