আজ (শনিবার, ২৭ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিআইসিআইসি) অনুষ্ঠিত হয় ফিনিক্স সামিট ২০২৩-এর জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠান। এবারের সামিটের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'ব্রিজিং দ্য সাইবার গ্যাপ ইন ইমার্জিং ইকোনোমিজ'।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সম্মেলনে সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষার মতো বিষয়গুলোতে বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা এখানে ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সরকারি নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং দেশ-বিদেশের অংশগ্রহণকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘সম্প্রতি চীন সফরে তাদের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে প্রযুক্তি বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। কীভাবে তাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সফট পাওয়ার কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী চিন্তা করছেন। আমাদের দেশের জনসংখ্যার বড় অংশই নবীন। এ ডেমোগ্রাফিক বাস্তবতা আমাদের জন্য বড় সুবিধা হতে পারে, যদি আমরা তা পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে পারি। এ আয়োজন থেকে বোঝা যাচ্ছে আমাদের তরুণদের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই আয়োজনের উদ্যোক্তাদের আমি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই।’
দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপ আয়োজিত এবং ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি-র পৃষ্ঠপোষকতায় এবারের সামিটে ১০ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। মেলায় ৭০টিরও বেশি স্টল এবং ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা খাতে বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা এবং ওমেন ইন সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
দ্য টিম ফিনিক্স গ্রুপের ফাউন্ডার ও চিফ অব রিসার্চ এএসএম শামীম রেজা বলেন, ‘ফিনিক্স সামিট ঢাকা ২০২৬ বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করার একটি যৌথ উদ্যোগ। গত কয়েকদিনে দেশ-বিদেশের নীতিনির্ধারক, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রযুক্তি পেশাজীবীদের অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ সামিটে যে জ্ঞান-বিনিময়, সহযোগিতার সুযোগ এবং নতুন ধারণার সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী দিনে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা বিশ্বাস করি, এখান থেকে তৈরি হওয়া সংযোগ ও উদ্যোগগুলো ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের পথকে সুদৃঢ় করবে।’
সামিটটি সফল হতে সহযোগিতা করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ ও ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি (এনসিএসএ)।





