তিনি বলেন, ‘সরকারি সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এর আগে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফর শেষে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী তিনি চীনের উদ্দেশে যাত্রা করেন।’
ডালিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান লিয়াওনিং প্রদেশের ভাইস গভর্নর বাই ইং, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং চীনের সরকারি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে চীনে এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রীয় এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন এবং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন।
এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে চীনের পথে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।
রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় পৌঁছান। সেখানে পৌঁছানোর পর মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা পর্যায়ের ১০ জনসহ মোট ২৩ জন সদস্য ছিলেন। সফরকালে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।





